📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুর মেডিকেলে দুর্নীতির অভিযানে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট, দালাল চক্রের অনিয়ম উন্মোচিত

ফরিদপুর মেডিকেলে দুর্নীতির অভিযানে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট, দালাল চক্রের অনিয়ম উন্মোচিত

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযানে কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট ও দালাল চক্রের অনিয়ম উন্মোচিত হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ৮ কোটি টাকার ক্যাথল্যাব যন্ত্র অব্যবহৃত এবং ১৫ কোটি টাকার মেশিন বাক্সবন্দি অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পরিচালিত অভিযানে সরকারের কোটি টাকার যন্ত্রপাতি নষ্ট ও দালাল চক্রের অনিয়ম উন্মোচিত হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মঙ্গলবার রাতে দুদকের দুই দিনের অভিযানের ফলাফল সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুর মেডিকেলে ৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার ক্যাথল্যাব যন্ত্র দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে
  • 📌 ১৫ কোটি টাকার লিনিয়ার এক্সিলারেটর মেশিন বাক্সবন্দি অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে
  • 📌 হাসপাতালের পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে দুটি নষ্ট, বাকি তিনটির ভাড়া টাকা চালকরা পরিশোধ করেননি
  • 📌 রোগীদের দালাল চক্রের মাধ্যমে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো, এমএসআর সামগ্রী সংগ্রহে অনিয়ম
  • 📌 এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান মেশিনের ফিল্ম ও ওষুধ সংক্রান্ত অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

দুদকের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযান পরিচালনা করার সময় বিভিন্ন চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ক্রয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে, হাসপাতালের ক্যাথল্যাবের জন্য কেনা ৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকার যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ধরে চালু না করায় অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এছাড়া, সাড়ে ১৫ কোটি টাকায় কেনা লিনিয়ার এক্সিলারেটর মেশিনটি ভবনের অভাবে বাক্সবন্দি অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে।

দুদক কর্মকর্তা আরও জানান, হাসপাতালের দালাল চক্রের মাধ্যমে রোগীদের বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো, এমএসআর সামগ্রী সংগ্রহ ও নিয়োগে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া, এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান মেশিনের ফিল্ম এবং ওষুধ সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মেরও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অভিযানে দেখা গেছে, হাসপাতালের পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে দুটি নষ্ট অবস্থায় রয়েছে। সচল বাকি তিনটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে অর্জিত ভাড়ার টাকা চালকরা পরিশোধ করেননি।

"হাসপাতালের এই যন্ত্রপাতিগুলি সরকারের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছে। তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ করে দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান (দুদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা (ক্যাথল্যাব যন্ত্র), ১৫ কোটি টাকা (লিনিয়ার এক্সিলারেটর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖