📌 ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ তৈরির দায়ে এনসিপি নেতা মো. বায়েজিদ হোসেনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারে তিনি অবৈধ ওষুধের কারখানায় শিশুদের ওষুধও তৈরি করতেন
ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ তৈরির দায়ে এনসিপি নেতা মো. বায়েজিদ হোসেনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ককে অবৈধ ওষুধের কারখানায় শিশুদের ওষুধসহ বিভিন্ন প্রকার অবৈধ ওষুধ তৈরির দায়ে দণ্ডিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ মাস কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা পেয়েছেন ফরিদপুরের এনসিপি নেতা মো. বায়েজিদ হোসেন (৪০)।
- 📌 ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তিনি অবৈধভাবে ওষুধ কারখানা পরিচালনা করতেন।
- 📌 অভিযানকালে শিশুদের জন্য বেবি জেল ও প্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধ ওষুধ তৈরি করা পাওয়ার কথা জানা গেছে।
- 📌 ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬/১ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
- 📌 ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ইনসানা তানজীন ইকো অভিযান পরিচালনা করেন।
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের মোল্লা বাড়ি সড়ক এলাকায় অবস্থিত মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ নামের ওষুধ কারখানায় গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ইনসানা তানজীন ইকো। অভিযানকালে জানা যায়, বায়েজিদ হোসেনের মালিকানাধীন এই কারখানায় অবৈধ ওষুধ তৈরির পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও সংরক্ষণ করা হত।
বায়েজিদ হোসেনের বাবা হাবিবুর রহমানের ছেলে তিনি। বর্তমানে তারা ফরিদপুর শহরের গোয়াচামট মহল্লায় বসবাস করেন। এনসিপির সদস্যসচিব সাইফ হাসান খাঁন জানান, দলীয় কেউ অন্যায় করে থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিষয়টি কেন্দ্রে জানানো হবে এবং খোঁজখবর নেওয়া হবে।
"১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬/১ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর, মোল্লা বাড়ি সড়ক, মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. বায়েজিদ হোসেন (৪০), সহকারী কমিশনার ইনসানা তানজীন ইকো, সাইফ হাসান খাঁন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা, ২০২২ সাল থেকে কারখানা পরিচালনা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!