📌 মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে স্কুলশিক্ষক আজিজুর রহমান ঢালীকে রাজনৈতিক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। পাঁচগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি সেলিম শেখ ও তার ভাই শাহীন শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে এক যুবক-যুবতীর পালিয়ে বিয়ে করার ঘটনা
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় স্কুলশিক্ষককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। পাঁচগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম শেখ এবং তার ভাই শাহীন শেখের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে এক যুবক-যুবতীর পালিয়ে বিয়ে করার ঘটনা, যা রাজনৈতিক মামলায় পরিণত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় স্কুলশিক্ষক আজিজুর রহমান ঢালীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 পাঁচগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি সেলিম শেখ ও তার ভাই শাহীন শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, সেলিম শেখ ও শাহীন শেখের পরামর্শে স্কুলশিক্ষকের মা তার ভাশুরের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন।
- 📌 অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে আব্দুল রাজ্জাক (রাজু) ও সিমরান রতনের পালিয়ে বিয়ে করার ঘটনা।
- 📌 সিমরান বলেন, তাঁদের বিয়েটি দুই পরিবার মেনে নিতে চায়নি এবং সেলিম শেখের পরিবার তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে।
- 📌 টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম আহম্মেদ বলেছেন, আজিজুর রহমানকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের মান্দ্রা গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক (রাজু) ও সিমরান রতন নামের এক যুবক-যুবতীর পালিয়ে বিয়ে করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। সিমরান ফেসবুকে লাইভে বলেছেন, চার বছর ধরে তাঁর সঙ্গে রাজুর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে তারা আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন। কিন্তু বিয়েটি দুই পরিবার মেনে নিতে চায়নি। সেলিম শেখ ও তার ভাই শাহীন শেখের পরিবার তাঁদের বাড়িতে গিয়ে সিমরানের মায়ের সঙ্গে মৌখিক চুক্তি করেন। তিন লাখ টাকার বিনিময়ে বিয়ের বিচ্ছেদ এবং অন্যত্র বিয়ের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি দেখভালের কথা ছিল ওই চুক্তিতে।
সিমরান বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি স্বামী রাজুর কাছে চলে আসেন। এরপর সেলিম শেখ ও শাহীন শেখের পরামর্শে তাঁর মা তাঁর ভাশুর আজিজুর রহমান ঢালীর বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ উত্তরায় গিয়ে তাঁকে আটক করলেও কোনো দোষ পায়নি বলে দাবি করেন সিমরান। সিমরানের অভিযোগ, পরে কোনো উপায় না পেয়ে রাজুর বাবা ও স্কুলশিক্ষক আজিজুর রহমান ঢালীকে আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা দাবি করেন, আজিজুর রহমান ঢালী কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
সেলিম শেখ ও শাহীন শেখ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সেলিম শেখ বলেছেন, ‘বিষয়টি আমি ফেসবুকে দেখেছি। আমি ছেলে বা মেয়েটাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।’ শাহীন শেখ বলেন, ‘এলাকায় আমাদের সুনাম রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে আমি বা আমার ভাই জড়িত নই।’
"বিষয়টি জানার পর সুযোগ বুঝে তিনি স্বামী রাজুর কাছে চলে আসেন। এরপর সেলিম শেখ ও শাহীন শেখের পরামর্শে তাঁর মা তাঁর ভাশুরের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ উত্তরায় গিয়ে তাঁকে আটক করলেও কোনো দোষ পায়নি বলে দাবি করেন সিমরান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টঙ্গিবাড়ী উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ; পাঁচগাঁও ইউনিয়ন, মান্দ্রা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেলিম শেখ (বিএনপি সভাপতি), শাহীন শেখ, আজিজুর রহমান ঢালী (স্কুলশিক্ষক), আব্দুল রাজ্জাক (রাজু), সিমরান রতন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন লাখ টাকা (মৌখিক চুক্তির বিনিময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!