📌 জাপান প্রবাসী হিন্দু তরুণীকে বিয়ে প্রলোভন দিয়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ময়মনসিংহের একজন বিবাহিত মুসলিম যুবককে লক্ষ্য করে নালিতাবাড়ী যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ পেয়েছে শেরপুর আদালত থেকে
নালিতাবাড়ী উপজেলার যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজান মিথ্যা পরিচয় দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ পেয়েছেন। শেরপুর আদালত থেকে এই নির্দেশ আসার পেছনে রয়েছে জাপান প্রবাসী একটি হিন্দু তরুণীর বিরুদ্ধে বিয়ে প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিথ্যা পরিচয়: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের বিবাহিত মুসলিম যুবক জান্নাতুল নাঈম ফেসবুকে ‘অন্ত সরকার দ্রুব’ নামে হিন্দু ও অবিবাহিত পরিচয় দিয়েছিলেন।
- 📌 অর্থ আত্মসাত: নোয়াখালীর জাপান প্রবাসী হিন্দু তরুণীর কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা এবং একটি আইফোন আত্মসাত করেন।
- 📌 বিয়ে প্রলোভন: ৫ লাখ টাকা না দিলে বিয়ে করবেন না বলে হুমকি দিয়েছিলেন।
- 📌 মিথ্যা মামলা: মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করে পিবিআই তদন্তের নির্দেশ পেয়েছেন।
- 📌 ভুক্তভোগী তরুণীর প্রতিবাদ: জাপান থেকে ফোনে যুক্ত হয়ে ভুক্তভোগী তরুণী জান্নাতুল নাঈমের বিচার চেয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌরশহরে মিজানুর রহমান মিজান সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি জানান, জাপান প্রবাসী তরুণীকে সহায়তা করার জন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের বাসিন্দা জান্নাতুল নাঈম। মিজানুর রহমানের মতে, জান্নাতুল নাঈম ফেসবুকে ‘অন্ত সরকার দ্রুব’ নামে পরিচয় দিয়েছিলেন এবং নোয়াখালীর জাপান প্রবাসী তরুণীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে ওই তরুণীর কাছ থেকে একটি আইফোন এবং প্রায় ১৮ লাখ টাকা আত্মসাত করেন।
মিজানুর রহমান বলেন, জান্নাতুল নাঈম ৫ লাখ টাকা না দিলে বিয়ে করবেন না বলে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর তরুণী নালিতাবাড়ীর আরিফুল ইসলামের মাধ্যমে তার বড় ভাই মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করেন। মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সালিসী বৈঠকে বসার পর জান্নাতুল নাঈম নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু পরে তিনি টাকা ফেরত না দিয়ে মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় জান্নাতুল নাঈম অভিযোগ করেছেন, তাকে মারধর করে তার মোটরসাইকেল, আইফোন, নগদ ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং ডেবিট কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্স চুরি করা হয়েছে। শেরপুর আদালত এই মামলার তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে নির্দেশ দিয়েছেন।
"তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে জান্নাতুল নাঈমকে ডেকে আনা হয়েছিল। কিন্তু তিনি টাকা ফেরত না দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নালিতাবাড়ী উপজেলা, শেরপুর; ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ; নোয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান মিজান (নালিতাবাড়ী যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক), জান্নাতুল নাঈম (ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের অভিযুক্ত), জাপান প্রবাসী তরুণী (ভুক্তভোগী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ লাখ টাকা (আত্মসাত), ৫ লাখ টাকা (বিয়ে প্রলোভন), ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (মিথ্যা অভিযোগে দাবি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!