📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফাইয়াজের মৃত্যুর খবর দেখে আবেগপ্রবণ সৈকত আন্দোলনে যান, পুলিশের গুলিতে শহীদ হন

ফাইয়াজের মৃত্যুর খবর দেখে আবেগপ্রবণ সৈকত আন্দোলনে যান, পুলিশের গুলিতে শহীদ হন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ছাত্র ফারহান ফাইয়াজের মৃত্যুর খবর দেখে তার ভাই সৈকত আবেগপ্রবণ হয়ে পরদিন আন্দোলনে যোগ দেন। পুলিশের গুলিতে সৈকতও শহীদ হন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী এই ঘটনার বিস্তারিত জবানবন্দি দেন

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ফারহান ফাইয়াজের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর খবর ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর তার ভাই সৈকত আবেগপ্রবণ হয়ে পরদিন আন্দোলনে যোগ দেন। পুলিশের গুলিতে সৈকতও শহীদ হন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ সাক্ষী সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী এই ঘটনার বিস্তারিত জবানবন্দি দেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ফারহান ফাইয়াজের মৃত্যুর খবর দেখে সৈকত আবেগপ্রবণ হয়ে পরদিন আন্দোলনে যোগ দেন
  • 📌 সৈকতের মা ও বোন বারবার তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য কল করলেও সৈকত আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন
  • 📌 পুলিশের গুলিতে সৈকত শহীদ হন এবং তার শেষ কথা ছিল ‘৩টা ২৬ মিনিটে’
  • 📌 কারফিউ জারি থাকায় সৈকতের লাশ মোহাম্মদপুরের মারকাজুল ইসলামে গোসল করা হয় এবং পরদিন কারফিউ শিথিল হলে বাসায় নিয়ে আসা হয়
  • 📌 সৈকতের লাশ মোহাম্মদপুর জামে মসজিদ কবরস্থানে দাফন করা হয়
  • 📌 সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনসহ ২৮ আসামিকে দায়ী করে সর্বোচ্চ শাস্তি চান সাবরিনা
  • 📌 মামলার ৪ জন গ্রেপ্তার, বাকি ২৪ জন পলাতক, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস

📰 বিস্তারিত

সাক্ষী সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ জবানবন্দিতে বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রাতে ফেসবুকে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের মৃত্যুর খবর ভাইরাল হওয়ার পর তার ভাই সৈকত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। পরদিন শুক্রবার (১৯ জুলাই) জুমার নামাজ শেষে সৈকত আন্দোলনে যোগ দেন। সৈকতের মা ও বোন বারবার তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য কল করলেও সৈকত আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।

সৈকতের সঙ্গে সাবরিনার শেষ কথা হয় সেদিন বেলা ৩টা ২৬ মিনিটে। সৈকতের সঙ্গে যোগাযোগ করার সময় একজন সহযোদ্ধা ফোনে বলেন, ‘এই ফোনটি যার, সে পুলিশের গুলিতে মারা গেছে। আপনারা দ্রুত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে যান, অন্যথায় লাশও পাবেন না।’ সৈকতের লাশ সেদিন রাত ৯টার দিকে মোহাম্মদপুরের মারকাজুল ইসলামে গোসল করা হয়। কারফিউ জারি থাকায় লাশ বাসায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। পরদিন (২০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে কারফিউ শিথিল হলে লাশ বাসায় নিয়ে আসা হয় এবং মোহাম্মদপুর জামে মসজিদ কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সাবরিনা আফরোজ জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ ২৮ আসামিকে দায়ী করেন। তিনি দোষী ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চান। মামলার ৪ জন গ্রেপ্তার আছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক আনসার সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক ও মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল। বাকি ২৪ জন পলাতক, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

"২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ফারহান ফাইয়াজের মৃত্যুর খবর দেখে ভাই সৈকত আবেগপ্রবণ হয়ে পরদিন আন্দোলনে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তাঁর শেষ কথা ছিল ‘৩টা ২৬ মিনিটে’।" — সাক্ষী সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি), সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, মারকাজুল ইসলাম, মোহাম্মদপুর জামে মসজিদ কবরস্থান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈকত, ফারহান ফাইয়াজ, সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, শেখ ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ আসামি, ৪ জন গ্রেপ্তার, ২০২৪ সালের ১৮, ১৯, ২০ জুলাই, ৩টা ২৬ মিনিট, ৯টা রাত, ১১টা বেলা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖