📌 জুলাই অভ্যুত্থানে ঢাকার বাড্ডায় প্রাইভেটকার চালক এমদাদুল হকের মৃত্যুর মামলায় পুলিশ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে। এতে শেখ হাসিনা সহ ১২১ জনের নাম ছিল, কিন্তু তদন্ত শেষে ৭৭ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এমদাদের পরিবার বাদী সাইফুল ইসলামকে ‘অজানা’ বলে প্রশ্ন তুলেছে এবং অভিযোগ করেছে যে এলাকার লোকদের ‘ফাঁসিয়ে’ মামলা করা হয়েছে
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার বাড্ডায় প্রাইভেটকার চালক এমদাদুল হকের মৃত্যুর মামলায় পুলিশ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে। এতে শেখ হাসিনা সহ ১২১ জনের নাম ছিল, কিন্তু তদন্ত শেষে ৭৭ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এমদাদের পরিবার বাদী সাইফুল ইসলামকে ‘অজানা’ বলে প্রশ্ন তুলেছে এবং অভিযোগ করেছে যে এলাকার লোকদের ‘ফাঁসিয়ে’ মামলা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই ২০২৪ অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার বাড্ডায় গুলিতে প্রাইভেটকার চালক এমদাদুল হক নিহত হন।
- 📌 মামলার বাদী সাইফুল ইসলামের সাথে এমদাদের পরিবারের কোনো পূর্ব যোগাযোগ ছিল না, বলে দাবি করেছেন এমদাদের মা মোসাম্মৎ হাসিনা বেগম।
- 📌 অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনা সহ ৪৫ জন আসামি করা হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক এমপি মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।
- 📌 মামলার বাদী সাইফুল ইসলামের তালিকায় ১২১ জনের নাম ছিল, কিন্তু তদন্তে ৭৭ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
- 📌 এমদাদের পরিবার অভিযোগ করেছে যে, এলাকার কিছু লোককে ‘ফাঁসিয়ে’ মামলা করা হয়েছে এবং তারা ঘটনার সময়ও এলাকায় ছিল।
- 📌 অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও অন্যান্য আসামির নির্দেশে আন্দোলনকারীদের উপর গুলি বর্ষণ করা হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার বাড্ডায় প্রাইভেটকার চালক এমদাদুল হক নিহত হন। এই ঘটনার মামলায় বাদী সাইফুল ইসলামের সাথে এমদাদের পরিবারের কোনো পূর্ব যোগাযোগ ছিল না। এমদাদের মা মোসাম্মৎ হাসিনা বেগম বলেছেন, “আমরা কোনো মামলা করিনি। পরে জানতে পারছি মামলা করছে পাশের এলাকার একজন। তাকে চিনতাম না। মামলা করার আগে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। মামলার পর করে যোগাযোগ করছে।” তিনি আরও বলেছেন, “মামলায় এলাকার কিছু লোককে ফাঁসায় দিছে। তারা থাকে গ্রামে। আর মামলা করে ঢাকায়। তারা ঘটনার সময়ও (আন্দোলনের সময়) এলাকায় ছিল। ইচ্ছা করে লোকগুলোকে ফাঁসায়ে দিছে। তার সাথে হয়ত শত্রুতা ছিল, এজন্য এমন করছে।”
মামলার বাদী সাইফুল ইসলামের তালিকায় শেখ হাসিনা সহ ১২১ জনের নাম ছিল। তবে তদন্ত শেষে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনা সহ ৪৫ জন আসামি করা হয়েছে। এতে রয়েছে সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক এমপি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও অন্যান্য আসামির নির্দেশে আন্দোলনকারীদের উপর গুলি বর্ষণ করা হয়েছিল। এমদাদের কপালে গুলি লেগে মাথার পেছন দিয়ে বের হয়ে যায় এবং তিনি মারা যান।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেছেন, “অভিযোগপত্র আদালতে জমা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদের আসামি করা হয়েছে। আর যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা পেয়েছে। এরপরের বিষয় আদালত দেখবেন।”
"যে মামলা করছে, তার কারণে আমার ছেলেটা মরেও গালি শুনছে।"
এমদাদের মা মোসাম্মৎ হাসিনা বেগম বলেছেন, “মামলা করে কি করব। ছেলে কি ফিরে আসবে? আর মারছে তো প্রশাসন। এতোগুল মানুষ মিলে মারছে? আর কার নির্দেশে খুন হয়ছে, হাসিনাকে পাইলে তো বিচার হবে। আমার বুক খালি করছে। এরকম কত মায়ের বুক খালি হয়েছে। আল্লাহর কাছে তো বিচার দিয়ে রেখেছি।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার বাড্ডা, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানার ধাওয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমদাদুল হক (মৃত), মোসাম্মৎ হাসিনা বেগম (মা), সাইফুল ইসলাম (বাদী), পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম (তদন্ত কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ জন আসামি, ৭৭ জন অব্যাহতি, ১২১ জনের নাম ছিল তালিকায়, ২০ জুলাই ২০২৪ ঘটনা, ৯ সেপ্টেম্বর মামলা করা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!