📌 দুদক ঢাকা-১ কার্যালয়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. রুহুল হক ও তার ছেলে জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছে। রুহুল হকের বিরুদ্ধে ১৯ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ ও ১১৬ কোটি টাকার সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগ, জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে ৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৩৩ কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে
দুদক ঢাকা-১ কার্যালয়ে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এবং তার ছেলে জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান এ মামলা দুটি করেন। দুদকের অনুসন্ধানে উভয় আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ব্যাংক লেনদেনে সন্দেহজনক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রুহুল হকের বিরুদ্ধে ১৯ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ২০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ — তার মোট সম্পদ ৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা, বৈধ আয় মাত্র ২৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা
- 📌 তার ৩৯টি ব্যাংক হিসাবে ১১৬ কোটি ২০ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে
- 📌 তার নিট সম্পদ ৪৫ কোটি ৩ লাখ টাকা, যার মধ্যে ৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা পারিবারিক ব্যয় হিসেবে বিবেচিত
- 📌 জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে ৮ কোটি ৫২ লাখ ৮৪ হাজার ৮২০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ — তার মোট সম্পদ ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, বৈধ আয় ১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা
- 📌 তার ১৫টি ব্যাংক হিসাবে ৩৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে
- 📌 দুদক জানায়, উভয় আসামি অসৎ উপায়ে অর্জিত অর্থ ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে বৈধ দেখানোর চেষ্টা করেছেন
📰 বিস্তারিত
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হকের ৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৩০ কোটি ৮৩ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তার বৈধ আয়ের উৎস মাত্র ২৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যা তার মোট সম্পদের তুলনায় খুবই কম। এছাড়া তার ৩৯টি ব্যাংক হিসাবে ১১৬ কোটি ২০ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা সন্দেহজনক বলে মনে করা হচ্ছে।
তার ছেলে জিয়াউল হকের মোট সম্পদ ১৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা (স্থাবর ও অস্থাবর) এবং ৫ কোটি ৪২ লাখ টাকার পারিবারিক ব্যয়ের পর তার নিট সম্পদ দাঁড়ায় ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা। তার বৈধ আয় মাত্র ১৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, যা তার সম্পদের তুলনায় অনেক কম। তার ১৫টি ব্যাংক হিসাবেও ৩৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদক জানায়, উভয় আসামি অসৎ উপায়ে অর্জিত অর্থ ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে বৈধ দেখানোর চেষ্টা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
"দুর্নীতি দমন কমিশন উভয় আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ব্যাংক লেনদেনে সন্দেহজনক কার্যকলাপের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেছে। তাদের অসৎ উপায়ে অর্জিত অর্থ বৈধ দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা আইনের বিরুদ্ধে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা-১ কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, জিয়াউল হক, এস এম রাশেদুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা (রুহুল হকের অবৈধ সম্পদ), ১১৬ কোটি টাকা (সন্দেহজনক লেনদেন), ৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা (জিয়াউল হকের অবৈধ সম্পদ), ৩৩ কোটি টাকা (সন্দেহজনক লেনদেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!