📌 দুদক মামলায় সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও তার ছেলে আসিবুর রহমানের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতে শাজাহান খান বলেছেন, 'এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে মিশে জামায়াতে ইসলামীতে রূপান্তরিত হয়েছে'। অভিযোগে ৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে মামলা দায়ের করা হয়
দুদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী ও মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খানের। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার আদেশ জারি করে। শাজাহান খান পুলিশি পাহারায় হাজির হয়ে সাংবাদিকদের বলেন, 'এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে মিশে জামায়াতে ইসলামী হয়ে গেছে'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান ও তার ছেলে মো. আসিবুর রহমানের। অভিযোগে ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে মামলা দায়ের করা হয়।
- 📌 আদালতে সাবেক মন্ত্রী বলেন, 'এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে মিশে জামায়াতে ইসলামী হয়ে গেছে'।
- 📌 অভিযোগে শাজাহান খান ও আসিবুর রহমানের নামে ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকার সম্পদ পাওয়া যায়।
- 📌 দুদকের অনুসন্ধানে ৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
📰 বিস্তারিত
সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও তার ছেলে মো. আসিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, শাজাহান খান নৌপরিবহনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব ও আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে ছেলে আসিবুর রহমানকে ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকার সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেছেন।
আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবীরের আদালতে শাজাহান খান পুলিশি পাহারায় হাজির হন। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, 'এনসিপিকে নিয়ে কি বলব, তারা জামায়াতের সঙ্গে মিশে জামায়াতে ইসলামী হয়ে গেছে'।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান বাদশাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'শাহজাহান খানের বিরুদ্ধে দুদক যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়। একটি ফ্লাটের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু সেই ফ্লাটটি ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল। সেই ফ্লাটের মূল্য তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে দেখানো হয়েছে। তার বৈধ সম্পদের পরিমাণ দেড় কোটি টাকা এবং সেই টাকার ট্যাক্স ২০১২ সাল থেকে রেগুলার দিয়ে আসছেন।'
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপপরিচালক কমলেশ মণ্ডল বাদী হয়ে ঢাকা মহানগরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, আসিবুর রহমানের নামে ৩ কোটি ৬৮ লাখ ৭৮ হাজার ৩৩ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৭ কোটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৭১৪ টাকার অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৭৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৪৭ টাকা। এর বাইরে পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫০১ টাকা।
"এনসিপিকে নিয়ে কি বলব, তারা জামায়াতের সঙ্গে মিশে জামায়াতে ইসলামী হয়ে গেছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত, মাদারীপুর-২ আসন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাজাহান খান, মো. আসিবুর রহমান, মিজানুর রহমান বাদশাহ, কমলেশ মণ্ডল, শাহজাহান কবীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকা (জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ), ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা (সম্পদ), ৫ অক্টোবর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!