📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদক অনুমোদন: নাসিম এন্টারপ্রাইজ ঋণ অনিয়মে ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

দুদক অনুমোদন: নাসিম এন্টারপ্রাইজ ঋণ অনিয়মে ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুদক সাতজন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে ঋণ অনিয়মের অভিযোগে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে। নাসিম এন্টারপ্রাইজকে ৯৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়নি যথাযথ মর্টগেজ নেওয়ার পরেও, যা ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাতজন ব্যক্তিকে ঋণ অনিয়মের অভিযোগে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে। মেসার্স নাসিম এন্টারপ্রাইজকে ঋণ প্রদানের সময় যথাযথ মর্টগেজ না নেওয়া, ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা না করে ঋণ অনুমোদন এবং ফান্ড ডাইভারশনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুদক উপপরিচালক আকতারুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, নাসিম এন্টারপ্রাইজের ঋণ অনিয়মে ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 আসামিরা হলেন: মো. গোলাম মোস্তফা ভূইয়া (নাসিম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী), অপারেশন ইরফানুল হক (দ্য ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক), স্বপন কুমার রায় (পদ্মা ব্যাংকের সাবেক ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট), মো. মাহবুবুল হক চিশতী (ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক), হাবিবুর রহমান (বিলিভ ওয়ান অ্যাসোসিয়েটসের স্বত্বাধিকারী), মো. আব্দুল মোতালেব পাটওয়ারী (ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি) এবং সাব্বির মোহাম্মদ সায়েম (পদ্মা ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট)।
  • 📌 নাসিম এন্টারপ্রাইজকে ৯৫ লাখ টাকা ঋণ দেওয়া হয়, যা সুদসহ বেড়ে দাঁড়ায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
  • 📌 তদন্তে উঠে এসেছে, ঋণের অর্থ নির্ধারিত কাজে ব্যবহার না করে ফান্ড ডাইভারশনসহ আত্মসাৎ করা হয়।
  • 📌 চার্জশিটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর ৪(২) ধারায়।

📰 বিস্তারিত

দুদকের তদন্তে জানা যায়, মেসার্স নাসিম এন্টারপ্রাইজকে ঋণ প্রদানের সময় যথাযথ মর্টগেজ নেওয়া হয়নি। এছাড়াও, ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতির অবনতি থাকা সত্ত্বেও ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করা হয়। মর্টগেজ দলিল সম্পাদনের আগেই ঋণ বিতরণ করা হয়, যা ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা ও আমানতকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছে।

মামলাটি ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা), ঢাকা-১-এ দায়ের করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম।

দুদক উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর গতকাল রোববার চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়।

"আর্থিক লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে নাসিম এন্টারপ্রাইজের ঋণ আবেদন যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই না করেই অনুমোদন করা হয়। ঋণের বিপরীতে যথাযথ মর্টগেজ নেওয়া হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সজেকা, ঢাকা-১), মিরপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আকতারুল ইসলাম (দুদক উপপরিচালক), মো. রাশেদুল ইসলাম (দুদক উপপরিচালক), মো. গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, স্বপন কুমার রায়, মো. মাহবুবুল হক চিশতী, হাবিবুর রহমান, মো. আব্দুল মোতালেব পাটওয়ারী, সাব্বির মোহাম্মদ সায়েম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আসামি, ৯৫ লাখ টাকা ঋণ, ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা (সুদসহ), ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট (মামলা দায়ের)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖