📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদকের মামলা: পিকে হালদারের সহযোগী নওশেরুলের ৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মিথ্যা বিবরণী

দুদকের মামলা: পিকে হালদারের সহযোগী নওশেরুলের ৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মিথ্যা বিবরণী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুদক ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সাবেক পরিচালক নওশেরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ১৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা দায়ের করেছে। সম্পদবিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে

দুদক ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সাবেক পরিচালক মো. নওশেরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৫ কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা দায়ের করেছে। মামলায় জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদবিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫ কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নওশেরুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
  • 📌 ৮ লাখ ৯১ হাজার ৯৮ টাকা সম্পদবিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ
  • 📌 ২৫ কোটি ৮৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৭১ টাকা সম্পদ ঘোষণা করলেও দুদকের অনুসন্ধানে পার্থক্য পাওয়া
  • 📌 পিকে হালদারের সহযোগী হিসেবে নওশেরুলকে আসামি করা হয়েছে
  • 📌 ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জমা দেওয়া সম্পদবিবরণীতে অসংগতি শনাক্ত

📰 বিস্তারিত

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান বাদী হয়ে ঢাকা-১-এর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, নওশেরুলের স্থাবর সম্পদের মূল্য ঘোষণা করা হয়েছিল ৫ কোটি ৮২ লাখ ৮২ হাজার ৮৬১ টাকা, কিন্তু যাচাইয়ে মূল্য পাওয়া যায় ৫ কোটি ৯১ লাখ ৭৩ হাজার ৯৫৯ টাকা। অস্থাবর সম্পদের পরিমাণও ১৯ কোটি ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৭১২ টাকা পাওয়া যায়, যা তিনি ঘোষণা করেননি।

দুদক জানায়, নওশেরুল জমি বিক্রির অগ্রিম হিসেবে ১৩ কোটি ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬৪৭ টাকা পেয়েছিলেন বলে সংশোধিত বিবরণী দেন। কিন্তু এই অর্থ বাদ দিয়ে তাঁর নিট সম্পদ হিসাব করা হয় ১২ কোটি ৭১ লাখ ৭৫ হাজার ২৪ টাকা। ১৯৯৯-২০০০ থেকে ২০২২-২০২৩ পর্যন্ত পারিবারিক ব্যয় হিসেবে ৪ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ১৩০ টাকা যোগ করে মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ১৭ কোটি ৪৯ লাখ ৪৫ হাজার ১৫৪ টাকা। বিপরীতে আয়কর নথি পর্যালোচনা করে দুদক ১২ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার ১৫৪ টাকার বৈধ আয় পায়। এই দুই হিসাবের ব্যবধান ৫ কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।

দুদক আরও দুটি মিথ্যা তথ্য শনাক্ত করে। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা মৌজায় ১০৩ দশমিক ৫০ শতাংশ জমিতে অবকাঠামো নির্মাণে ৪০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ের কথা জানান নওশেরুল, কিন্তু প্রকৌশলীর পরিমাপে ব্যয় পাওয়া যায় ৪১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৮ টাকা। বনানী ডিওএইচএসের গ্রিন হ্যাভেনে স্ত্রীর সঙ্গে যৌথ মালিকানায় থাকা ২ হাজার ৬০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাটে নিজের বিনিয়োগ ৩০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা দেখান নওশেরুল, কিন্তু দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটি কিনতে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন লিমিটেডকে ৭৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল। এতে নওশেরুলের অংশের ব্যয় দাঁড়ায় ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। ফ্ল্যাটে বিনিয়োগ আট লাখ টাকা কম দেখানোর তথ্য পেয়েছে দুদক।

"জমি বিক্রির অগ্রিম হিসেবে ১৩ কোটি টাকা পাওয়ার কথা জানিয়ে সংশোধিত সম্পদবিবরণী দেন নওশেরুল। ওই অর্থ বাদ দিয়ে তাঁর নিট সম্পদ হিসাব করা হয় ১২ কোটি ৭১ লাখ টাকা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সমন্বিত জেলা কার্যালয়), নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা, বনানী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নওশেরুল ইসলাম, মো. মশিউর রহমান (দুদকের উপপরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ কোটি ১৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা (অবৈধ সম্পদ), ২৫ কোটি ৮৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৭১ টাকা (মোট সম্পদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖