📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদকের অভিযোগে আদালত ফ্রিজ করে মনিরুল ও পরিবারের ৮৩টি ব্যাংক হিসাব, ১৯ কোটি টাকার সম্পদ অবরুদ্ধ

দুদকের অভিযোগে আদালত ফ্রিজ করে মনিরুল ও পরিবারের ৮৩টি ব্যাংক হিসাব, ১৯ কোটি টাকার সম্পদ অবরুদ্ধ

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুদকের আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালত সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও তার পরিবারের ৮৩টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করেছে। এতে ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা জমা আছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা অবৈধভাবে সম্পদ জমা করেছেন এবং বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছেন

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সাবেক স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) প্রধান ও সাবেক অতিরিক্ত আইজি মো. মনিরুল ইসলাম এবং তার পরিবারের ৮৩টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করার আদেশ দিয়েছে। এসব হিসাবের মোট পরিমাণ ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। আদেশটি বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও তার পরিবারের ৮৩টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা জমা আছে
  • 📌 মনিরুলের স্ত্রী সায়লা ফারজানা, শ্যালক রেজাউল আলম শাহীন ও তার স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে
  • 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা পরস্পর যোগসাজশে ২৫ কোটি টাকা লোপাট করেছে এবং জঙ্গিবাদের তকমা দিয়ে এনজিওর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছে
  • 📌 দুদকের অনুসন্ধান টিমের দলনেতা মোজাম্মিল হোসেনের আবেদনে আদালত ফ্রিজ আদেশ দিয়েছে
  • 📌 আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি ফ্রিজ আদেশ দেন

📰 বিস্তারিত

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহম্মেদ জানান, এই ফ্রিজ আদেশের পিছনে দুদকের তদন্ত রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধান দলের তথ্য অনুযায়ী, মনিরুল ইসলামের নামে ১১টি হিসাবে ৭৮ লাখ ৬০ হাজার ৭২৮ টাকা এবং ৩ হাজার ৯৭৮ ব্রিটিশ পাউন্ড, স্ত্রী সায়লা ফারজানার ৫টি হিসাবে ৮ লাখ ২ হাজার ৬৭০ টাকা, শাহীনের ৪০টি হিসাবে ১০ কোটি ৬০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৮২ টাকা এবং সানজিদা খানম টুম্পার ২৭টি হিসাবে ৮ কোটি ২২ লাখ ৫১ টাকা জমা আছে।

দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, তারা পরস্পর যোগসাজশে ২৫ কোটি টাকা লোপাট করেছে এবং জঙ্গিবাদের তকমা দিয়ে কুয়েত সোসাইটি ফর রিলিফ ও শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনাল নামক এনজিওর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তারা অবৈধভাবে সম্পদ জমা করেছেন এবং ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ সম্পদের মালিক। অনুসন্ধান দলের তথ্য অনুযায়ী, তারা অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করছেন এবং বিদেশে পাচারের পরিকল্পনা করছেন।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি ফ্রিজ আদেশের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, এই অর্থের হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের ক্ষতি হবে। তাই তাদের এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজনীয় বলে মনে করেছেন তিনি।

"অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের নামে অসংখ্য ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে। এই অর্থ তারা উত্তোলনের করে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। বর্ণিত সম্পত্তি হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মনিরুল ইসলাম, সায়লা ফারজানা, রেজাউল আলম শাহীন, সানজিদা খানম টুম্পা, আয়েশা আক্তার মৌসুমি, তানজির আহম্মেদ, মোজাম্মিল হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩টি ব্যাংক হিসাব, ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, ১১টি হিসাব, ৭৮ লাখ ৬০ হাজার ৭২৮ টাকা, ৩ হাজার ৯৭৮ ব্রিটিশ পাউন্ড, ৫টি হিসাব, ৮ লাখ ২ হাজার ৬৭০ টাকা, ৪০টি হিসাব, ১০ কোটি ৬০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৮২ টাকা, ২৭টি হিসাব, ৮ কোটি ২২ লাখ ৫১ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖