📌 দুদক নিষিদ্ধ যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী নাজিয়া হাসান ডালিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের নামে পাওয়া সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা তাদের গ্রহণযোগ্য আয় ও সঞ্চয়ের চেয়ে ৭৬ লাখ টাকা বেশি
দুদক নিষিদ্ধ যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী নাজিয়া হাসান ডালিয়ার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম এই তথ্য জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. শাহাবুদ্দিন ও স্ত্রী নাজিয়া হাসান ডালিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
- 📌 নাজিয়া হাসান ডালিয়ার নামে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩২২ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে স্থাবর সম্পদের মূল্য ৮৩ লাখ ৯২ হাজার ৩৫৮ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদের মূল্য ১৭ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৪ টাকা।
- 📌 গ্রহণযোগ্য আয় ও সঞ্চয় ২৪ লাখ ৯২ হাজার ৮৮৫ টাকা থাকলেও সম্পদের পরিমাণ ৭৬ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩৭ টাকা বেশি।
- 📌 দুদক মনে করে নাজিয়া হাসান ডালিয়া দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় অপরাধ করেছেন।
- 📌 স্বামীর অবৈধ সম্পদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায়ও মামলা করা হয়েছে।
- 📌 মো. শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আগে ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল, তদন্ত চলমান।
📰 বিস্তারিত
দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নাজিয়া হাসান ডালিয়ার নামে মোট ১ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩২২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। দুদকের হিসাব অনুযায়ী, নাজিয়া হাসান ডালিয়ার গ্রহণযোগ্য আয় ৬৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা এবং পারিবারিক ব্যয় ২৮ লাখ ৬৯ হাজার ৮৩৯ টাকা। এসব ব্যয় বাদ দিয়ে তাঁর নিট আয় বা সঞ্চয় দাঁড়ায় ২৪ লাখ ৯২ হাজার ৮৮৫ টাকা। কিন্তু তাঁর নামে পাওয়া সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩২২ টাকা। ফলে গ্রহণযোগ্য আয় ও সঞ্চয়ের সঙ্গে সম্পদের মধ্যে ৭৬ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩৭ টাকার অসংগতি দেখা গেছে।
দুদকের মতে, এই অর্থের সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার মাধ্যমে নাজিয়া হাসান ডালিয়া দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁর নামে থাকা ওই সম্পদ তাঁর স্বামী মো. শাহাবুদ্দিনের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ বলে মনে করছে সংস্থাটি। স্বামীর অবৈধ সম্পদ নিজের দখলে রেখে তাঁকে সহযোগিতার অভিযোগে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায়ও অপরাধের বিষয়টি উল্লেখ করেছে দুদক।
এই ঘটনার আগে, মো. শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৯ হাজার ৩০৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৯ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ ওই মামলাটি করা হয়েছিল। ওই মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহাবুদ্দিন, নাজিয়া হাসান ডালিয়া, আকতারুল ইসলাম (দুদকের উপপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ১৫ লাখ ৩২২ টাকা (সম্পদ), ৭৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকা (অসংগতি), ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা (পূর্ব মামলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!