📌 দুদকের মামলায় সাবেক পুলিশ সার্জেন্ট বেলায়েত হোসেনকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৮৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। বেলায়েতের নামে ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা সম্পদ পাওয়া গেলেও ঘোষিত আয় ছিল মাত্র ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা
চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে সাবেক পুলিশ সার্জেন্ট বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়েছে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদ তথ্য গোপনের অভিযোগে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪২ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী, আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাবেক পুলিশ সার্জেন্ট বেলায়েত হোসেনকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪২ টাকা জরিমানা করা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায়।
- 📌 আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে কারণ তিনি রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন না।
- 📌 বেলায়েতের নামে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা সম্পদ পাওয়া গেলেও বৈধ আয় ছিল মাত্র ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৭ টাকা।
- 📌 বেলায়েত ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ টাকা সম্পদ গোপন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মনজুর আলম।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) দুদকের মামলায় রায় ঘোষণা করেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রেজাউল করিম রনি জানান, বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে তাঁর নামে ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা সম্পদ পাওয়া গেলেও তাঁর বৈধ আয় ছিল মাত্র ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৭ টাকা। এছাড়াও, তাঁর আয়কর নথিতে ঘোষিত ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৮৪ লাখ ৮ হাজার ৬৯১ টাকা।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, বেলায়েত হোসেন নিজের নামে ৮৫ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৪ টাকা সম্পদ ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর প্রকৃত সম্পদ পাওয়া যায় ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা। এতে তিনি ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ টাকা সম্পদ গোপন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মনজুর আলম। বরিশালে মাদকের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে আটক করা পুলিশ কর্মকর্তা থানা থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তবে এই ঘটনাটি মামলার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
"আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না, তাই তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবেক পুলিশ সার্জেন্ট বেলায়েত হোসেন, বিচারক মো. মিজানুর রহমান, পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রেজাউল করিম রনি, সহকারী পরিচালক মো. মনজুর আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৯ লাখ ৭৭ হাজার ৭৪২ টাকা (জরিমানা), ১ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৪৬৩ টাকা (সম্পদ), ১ কোটি ৩৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৭ টাকা (বৈধ আয়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!