📌 দুদক বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ অনুমোদন দিয়েছে। অনুসন্ধানে তাঁর নামে ৩২৫টি ব্যাংক হিসাবে ৬০ কোটি টাকার লেনদেন পাওয়া গেছে। এছাড়াও আদালত তাঁর পরিবারের দেশত্যাগ নিষিদ্ধ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছে
দুদক বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ অনুমোদন দিয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান চালিয়ে এসেছে। আজ রোববার দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান জানান, অনুসন্ধানে বিপ্লব কুমারের নামে-বেনামে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ অনুমোদন দিয়েছে
- 📌 অনুসন্ধানে বিপ্লব কুমারের নিজ নামে ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ২১টি ব্যাংকের ৩২৫টি হিসাব, দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তিনটি হিসাব এবং সাতটি ব্রোকারেজ হাউসের ১৩টি হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে
- 📌 এসব হিসাব থেকে মোট ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা জমা এবং ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে
- 📌 বিপ্লব কুমার সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ আয়ের উৎস গোপন করার অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান করছে
- 📌 আদালত বিপ্লব কুমারের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম, ভাই প্রণব কুমার সরকার ও ভাইয়ের স্ত্রী শাহানারা বেগমের দেশত্যাগ নিষিদ্ধ ও তাঁর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছে
- 📌 বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সম্পৃক্ত অপরাধ ও নামে-বেনামে সম্পদ কেনার অভিযোগও অনুসন্ধান করছে দুদক
📰 বিস্তারিত
দুদক অনুসন্ধান কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করার সুপারিশ করেন। পরে কমিশন তা অনুমোদন করে। অনুসন্ধানে বিপ্লব কুমারের নিজ নামে ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ২১টি ব্যাংকের ৩২৫টি হিসাব, দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তিনটি হিসাব এবং সাতটি ব্রোকারেজ হাউসের ১৩টি হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব হিসাব থেকে মোট ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা জমা এবং ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। দুদকের অভিযোগ, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ আয়ের উৎস গোপন করতে বিপ্লব কুমার নিজের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে এসব হিসাব পরিচালনা করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তৎকালীন সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বিপ্লব কুমারের বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। ২০২৫ সালের ৯ ডিসেম্বর আদালত বিপ্লব কুমারের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম, ভাই প্রণব কুমার সরকার ও ভাইয়ের স্ত্রী শাহানারা বেগমের দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞা দেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আদালত বিপ্লব কুমার ও তাঁর স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব ও বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন।
দুদক বিপ্লব কুমার সরকারের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সম্পৃক্ত অপরাধ এবং নামে-বেনামে সম্পদ কেনার অভিযোগও অনুসন্ধান করছে।
"বিপ্লব কুমার সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ আয়ের উৎস গোপন করতে নিজের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে এসব হিসাব পরিচালনা করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (দুদক কার্যালয়), চাঁপাইনবাবগঞ্জ (মহানন্দা নদী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিপ্লব কুমার সরকার, সাইদুর রহমান খান, হোসনেয়ারা বেগম, প্রণব কুমার সরকার, শাহানারা বেগম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৭ টাকা, ৩২৫টি ব্যাংক হিসাব, ৩০ কোটি ৭২ লাখ টাকা জমা, ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!