📌 স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৩ অভিযানে চীনা নাগরিক লি ফেনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে ৭ কোটি টাকার বাংলাদেশি ওষুধ এবং ৬ লাখ ৬ হাজার ১৪০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। ওষুধ পাচারের চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কাজ করত
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৩ অভিযানে চীনা নাগরিকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশি ওষুধ পাচারের অভিযোগে। অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকার বাংলাদেশি ওষুধ এবং ৬ লাখ ৬ হাজার ১৪০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর উত্তরা এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চীনা নাগরিক লি ফেনসহ চারজন ক্যানসার ওষুধ পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 ৭ কোটি টাকার ওষুধ এবং ৬ লাখ ৬ হাজার ১৪০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
- 📌 ২৪-২৫ কেজি ওজনের ওষুধ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হতো।
- 📌 লাওসের শুল্ক কর্তৃপক্ষ ১০০ কেজি ওষুধের চালান জব্দ করে, যা তদন্তের সূত্রপাত করে।
- 📌 বকুল নাহার বীথি চীনা ভাষা জ্ঞাত হওয়ায় চীনা নাগরিকদের দোভাষী হিসেবে কাজ করতেন।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানান, এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ওষুধ পাচার করত। বিশেষ করে ক্যানসারসহ জটিল ও দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের দাম বাংলাদেশে কম হওয়ায় চক্রটি এসব ওষুধ বিদেশে পাঠাত। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ২৪ থেকে ২৫ কেজি ওজনের কার্টনে এসব ওষুধ পাঠানো হতো।
গ্রেপ্তারকৃত চারজন ব্যক্তির মধ্যে রয়েছে চীনা নাগরিক লি ফেন (৩৪)। তিনি ২০২৪ সালের আগস্টে পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে এসেছিলেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তিনি চীনে ফিরে আবারও পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে আসতেন। অন্য তিনজন হলেন বকুল নাহার বীথি (২৪), ইউনুস আলী (২৬) এবং সজীব হাওলাদার (২৮)। বকুল নাহার বীথি ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চীনের হুনান নরমাল ইউনিভার্সিটিতে ব্যবসায় প্রশাসনে পড়াশোনা করেছেন এবং চীনা ভাষা শেখেছেন। পরে বাংলাদেশে ফিরে চীনা নাগরিকদের দোভাষী হিসেবে কাজ করেছেন।
অভিযানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লাওসের শুল্ক কর্তৃপক্ষ ১৩ অক্টোবর বৈধ কাগজপত্র না থাকায় কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো ১০০ কেজি ওষুধের চালান জব্দ করে। এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট চক্রের কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়। তদন্ত চলছে ওষুধ কোম্পানির কিছু অসাধু কর্মচারীদেরও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার সম্ভাবনা নিয়ে।
"চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ওষুধ পাচার করত। বিশেষ করে ক্যানসারসহ জটিল ও দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের দাম বাংলাদেশে কম হওয়ায় এসব ওষুধ বিদেশে পাঠানো হতো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর উত্তরা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লি ফেন, বকুল নাহার বীথি, ইউনুস আলী, সজীব হাওলাদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ কোটি টাকা ওষুধ, ৬ লাখ ৬ হাজার ১৪০ টাকা নগদ, ২৪-২৫ কেজি ওষুধ কার্টন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!