📌 ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ চাঁদাবাজ ও জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি পুলিশ ও নাগরিকদের মধ্যে সহযোগিতার জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শিথিলতা ছাড়াই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। মঙ্গলবার সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এই নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, চাঁদাবাজ ও জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কোনো শিথিলতা ছাড়াই ব্যবস্থা নেওয়া হবে — তাদের পরিচয় বা অবস্থান নির্বিশেষে।
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুর বিভাগ অপরাধ বিভাগে শ্রেষ্ঠ, মিরপুর থানা শ্রেষ্ঠ থানা নির্বাচিত হয়।
- 📌 মিরপুর থানার এসআই তারেক রহমান শ্রেষ্ঠ উপপরিদর্শকদের তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।
- 📌 মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক বিভাগ হিসেবে স্বীকৃত।
- 📌 ডিবি-লালবাগ শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা বিভাগ, অতিরিক্ত উপকমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন শ্রেষ্ঠ টিম লিডার।
- 📌 মোহাম্মদপুর অঞ্চলের এসি আবদুল্লাহ আল মামুন সহকারী কমিশনারদের মধ্যে প্রথম হন।
- 📌 কোনো দলের মিছিল বা জমায়েত নিষিদ্ধ — সকল থানার ওসিদকে তৎপরতা বাড়াতে বলা হয়।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এই নির্দেশনা প্রদান করেন মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ। সভার সঞ্চালনা ও সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধচিত্র তুলে ধরেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) ফারুক হোসেন।
কমিশনার বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। তিনি স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে অপরাধের মূল কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানান। এজন্য প্রতিটি থানা এলাকায় বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার পাশাপাশি পুলিশকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে বলা হয়।
সভায় জানা যায়, ঢাকা মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো দল যেন মিছিল বা জমায়েত করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি পুলিশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
সেপ্টেম্বর মাসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেপ্টেম্বর মাসে শ্রেষ্ঠ অপরাধ বিভাগ নির্বাচিত হয় মিরপুর বিভাগ এবং শ্রেষ্ঠ থানা নির্বাচিত হয় মিরপুর থানা। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে আদাবর এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে উত্তরা-পশ্চিম থানা।
সহকারী কমিশনারদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন মোহাম্মদপুর অঞ্চলের এসি আবদুল্লাহ আল মামুন এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মিরপুর অঞ্চলের এসি আবুল বাসার মোল্যা। উপপরিদর্শকদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন মিরপুর থানার তারেক রহমান। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ডেমরা থানার কাকন মিয়া এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন কদমতলী থানার অশোক কুমার সরকার। সহকারী উপপরিদর্শকদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন মোহাম্মদপুর থানার ইমদাদুল হক।
গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয় ডিবি-লালবাগ এবং শ্রেষ্ঠ টিম লিডার হন এই বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন। ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয় ট্রাফিক-মিরপুর। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্টদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন মহাখালী অঞ্চলের সার্জেন্ট আঞ্জুম আল হাসিব এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন বিমানবন্দর অঞ্চলের মারুফ রহমান ভূঁইয়া।
"অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে অপরাধের মূল কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর পুলিশ সদর দপ্তর, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, উত্তরা-পশ্চিম, ডেমরা, কদমতলী, মহাখালী, বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ, ফারুক হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, তারেক রহমান, কাকন মিয়া, অশোক কুমার সরকার, ইমদাদুল হক, দুর্জয় বড়ুয়া, মোহাম্মদ মজলিশ মিয়া, আঞ্জুম আল হাসিব, মারুফ রহমান ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (মিরপুর বিভাগ), ১ (মিরপুর থানা), ২ (আদাবর), ৩ (উত্তরা-পশ্চিম), ১ (মোহাম্মদপুর এসি), ২ (মিরপুর এসি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!