📌 জুলাই মাসের শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ আগরওয়ালাকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুমন মিয়া দাবি করেছেন, আসামি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন এবং পুনরায় রিমান্ডের প্রয়োজন
ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় জুলাই মাসে শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও ২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর, ২০২৬) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দিলীপ আগরওয়ালাকে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
- 📌 উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া তাকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন, কিন্তু আদালত ২ দিনের রিমান্ড দিয়েছে।
- 📌 ২১ অক্টোবর তারিখে পুলিশ তার দশ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল, কিন্তু আদালত ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছিল।
- 📌 ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এসআরবি (সাবেক র্যাব) তাকে গ্রেপ্তার করেছিল এবং ৩ দিনের রিমান্ড পেয়েছিল।
- 📌 ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
- 📌 ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বনানী থেকে মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
- 📌 ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে বিএনএস সেন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন শিক্ষার্থী আ. জব্বার।
- 📌 ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ আ. জব্বার বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
📰 বিস্তারিত
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া দাবি করেছেন, দিলীপ আগরওয়ালাকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, আসামিকে মামলার ঘটনার বিষয়ে ডিবি কার্যালয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য পুনরায় তাকে সাত দিনের রিমান্ড পাওয়া একান্ত প্রয়োজন বলে দাবি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এসআরবি (সাবেক র্যাব) দিলীপ আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরদিন তাকে আদালতে তোলা হয় এবং তাকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একই দিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর বিভিন্ন হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় নিম্ন ও উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। তার কারামুক্তির এক বছর পর গত ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় বনানী থেকে মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২০ অক্টোবর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শেষ দিন ৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওপর বিএনএস সেন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন আ. জব্বার। ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তী সময়ে কিছুটা সুস্থতা অনুভব করায় ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ আ. জব্বার বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এ মামলায় আগরওয়ালা ৩১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে উল্লেখিত।
"আসামিকে মামলার ঘটনার বিষয়ে ডিবি কার্যালয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য পুনরায় তাকে সাত দিনের রিমান্ড পাওয়া একান্ত প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরা পশ্চিম থানা, বিএনএস সেন্টার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিলীপ কুমার আগরওয়ালা, উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া, ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন, শিক্ষার্থী আ. জব্বার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬; ২ দিনের রিমান্ড; ৫ আগস্ট, ২০২৪; ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪; ১ অক্টোবর, ২০২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!