📌 ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় এক তরুণীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদকে মারধর করা গ্রাফিক ডিজাইনার খালিদ হাসানকে আদালত ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। পুলিশ কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে এএসআই আবদুল হাইকে থানার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে
ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় এক তরুণীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদকে মারধর করা গ্রাফিক ডিজাইনার খালিদ হাসানকে আদালত ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে। এই সাজা আদালত বুধবার দুপুরে দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ধানমন্ডির মীনাবাজার এলাকায় খালিদ হাসানকে আটক করে পুলিশ, পরে আদালত ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়
- 📌 শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ (৪৮) ওরফে মাসুদ রানাকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন খালিদ হাসান
- 📌 ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে এএসআই আবদুল হাইকে থানার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে
- 📌 শহীদ আবদুল্লাহ মানসিক রোগী, এমবিবিএস পড়ার সময় মানসিক রোগে আক্রান্ত হন
- 📌 মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনায় আলোচনা শুরু হয়
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডের বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে এক তরুণীকে (২৩) শ্লীলতাহানির অভিযোগে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদকে মারধর করেন খালিদ হাসান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগ উঠে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে তাঁর কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে ধানমন্ডির মীনাবাজার এলাকা থেকে খালিদ হাসানকে আটক করে পুলিশ। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে ১৫ দিনের সাজা দিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠান। আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ জানান, খালিদ হাসান গত সোমবার শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করার কথা স্বীকার করেছেন।
গত সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশ সদস্যদের কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগ উঠে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশ সদস্যরা নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তোলেন। ভুক্তভোগী তরুণী জানান, তিনি ফোন করে তাঁর মামাকে ডেকে আনেন। মামা এসে শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন। ওই মারধরের জন্য আজ খালিদ হাসানের কারাদণ্ড হওয়ার পর ওই তরুণী বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট আমাকে রক্ষা করতে বলা হলেও তাঁর কথা শোনেননি।’
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকেন। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি মানসিক রোগী। এমবিবিএস পড়ার সময় তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত হন। এরপর বিয়ে হলেও তাঁর সংসার টেকেনি।
"আমাকে নিয়ে যান, আমার মামাকে ছেড়ে দেন। আমাকে রক্ষা করতেই তো তিনি এসেছেন। আমার জন্যই তো তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আমার কথা শুনলেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার ধানমন্ডি, মীনাবাজার এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খালিদ হাসান, শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ, এএসআই আবদুল হাই, ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ, মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ দিনের কারাদণ্ড, ৪৮ বছর বয়সী শহীদ আবদুল্লাহ, ২৩ বছর বয়সী তরুণী, ১২ টা বাজে দুপুর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!