📌 ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শাহ আলম অনিককে গ্রেফতার করেছে। তিনি ইলিয়াস মোল্লার ক্যাডার এবং সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে ঘনিষ্ঠতা ও ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের অভিযোগে জড়িত। মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শাহ আলম অনিককে সন্ত্রাসী সংগঠনের সাথে ঘনিষ্ঠতা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অনিক ইলিয়াস মোল্লার ক্যাডার এবং যুবলীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় শাহ আলম অনিককে ডিবি গ্রেফতার করেছে।
- 📌 অনিককে মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাত ও ইব্রাহিমের পক্ষে এজেন্ট হিসেবে কাজ করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
- 📌 তার বিরুদ্ধে আন্ডারগ্রাউন্ড কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে।
- 📌 শাহ আলম অনিকের বাবার নাম আবু সাঈদ এবং তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- 📌 তিনি মিরপুরের পর্বত সেনপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
- 📌 নিউ গিনি কনডোমিনিয়াম সিটির ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় তার সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলে জানা গেছে।
- 📌 মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক ও কাফরুল এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তার সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলের ছোট ভাই মোতাহার হোসেন খান সুফলও গ্রেফতার হয়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (অতিরিক্ত কমিশনার) মো. শফিকুর রহমান জানান, তারা কিছু সময় আগে শাহ আলম অনিককে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে এবং পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। অনিকের বিরুদ্ধে আন্ডারগ্রাউন্ড কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে।
সূত্র জানায়, শাহ আলম অনিকের বাবার নাম আবু সাঈদ এবং তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীতে অবস্থিত। তিনি রাজধানীর মিরপুরের পর্বত সেনপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। ডিবি সূত্রের দাবি, শনিবার রাতে ইসিবি চত্বরের কাছে নিউ গিনি কনডোমিনিয়াম সিটিতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদির-এর ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অনিক সরাসরি জড়িত ছিলেন। তবে এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিরপুর, ভাষানটেক, কাফরুল, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অভিযোগে মামলা রয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে অনিক সামনের সারিতে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলে সূত্রের দাবি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধ দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও সংগঠিত করার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।
মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক ও কাফরুল এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাতেও অনিক সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। বিদেশ থেকে আসা বিভিন্ন নির্দেশনা দেশে বাস্তবায়নেও তিনি ভূমিকা রাখছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে, শুক্রবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে গ্রেফতার হন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ছোট ভাই মোতাহার হোসেন খান সুফল। সুফল ও অনিক একসঙ্গে ঢাকায় অস্থিরতা তৈরির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।
"আমরা কিছু সময় আগে তাকে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছি। তার বিরুদ্ধে অনেক ধরনের অভিযোগ রয়েছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।"
— মো. শফিকুর রহমান, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (অতিরিক্ত কমিশনার)
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, মিরপুর, পর্বত সেনপাড়া, নিউ গিনি কনডোমিনিয়াম সিটি, নরসিংদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহ আলম অনিক, মো. শফিকুর রহমান, আবু সাঈদ, মাইনুল হোসেন নিখিল, মোতাহার হোসেন খান সুফল, ইলিয়াস মোল্লা, শাহাদাত, ইব্রাহিম, সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!