📌 ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সাবেক ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের ৬ কোটি টাকার সম্পদ ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ জারি করা হয়
ঢাকা: সাবেক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের নামে থাকা সম্পদ ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ জারি করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের ৬ কোটি টাকার সম্পদ ফ্রিজের আদেশ
- 📌 খন্দকার ফারুকের একক নামে ১ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজ
- 📌 তার পাঁচটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা ফ্রিজের আদেশ
- 📌 যৌথ নামে থাকা ১ কোটি ৫১ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি ও ১২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা ফ্রিজ
- 📌 দুদকের অনুসন্ধানে ফারুকের নিট সম্পদ ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, কিন্তু গ্রহণযোগ্য আয় ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা
- 📌 ১ কোটি ২৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত
📰 বিস্তারিত
দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্তের জন্য একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। অনুসন্ধানকালে সংগৃহীত রেকর্ডপত্র, বিভিন্ন সরকারি দফতর থেকে পাওয়া তথ্য এবং আয়কর নথি পর্যালোচনা করে দুদক এই আবেদন দায়ের করে।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, খন্দকার ফারুকের একক নামে থাকা ১ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি ফ্রিজ করা হয়েছে। এছাড়াও তার পাঁচটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা ১ কোটি ৩৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা ফ্রিজের আদেশ দেওয়া হয়েছে। যৌথভাবে তাদের নামে থাকা ১ কোটি ৫১ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং দু’টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা ১২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা ফ্রিজের আদেশও জারি করা হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধান থেকে জানা যায়, খন্দকার ফারুকের নিট সম্পদের মূল্য ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এতে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে ৩৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকা যোগ করলে তার মোট অর্জিত সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ৪ কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা। কিন্তু তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ মাত্র ২ কোটি ৮৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা। ফলে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা বেশি, যা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
"আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, খন্দকার গোলাম ফারুক ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার খানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার গোলাম ফারুক, শারমিন আক্তার খান, বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ কোটি টাকা (ফ্রিজের সম্পদ), ১ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা (ফারুকের স্থাবর সম্পত্তি), ১ কোটি ২৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা (আয়বহির্ভূত সম্পদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!