📌 ঢাকার আদালত থেকে আবার পালিয়ে গেছেন হত্যা মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম। তিনি হাতকড়া খুলে কৌশলে পালিয়ে যান। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে। শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরে এবং তার বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা রয়েছে
ঢাকার আদালত থেকে আবার পালিয়ে যান হত্যা মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম। এইবার তিনি হাতকড়া খুলে কৌশলে পালিয়ে যান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শরিফুল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আদালতককক্ষ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে এবং শরিফুলের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে পালিয়ে যান হত্যা মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম
- 📌 আদালতককক্ষ থেকে হাতকড়া খুলে কৌশলে পালিয়ে যান শরিফুল
- 📌 এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা চলছে
- 📌 শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরে এবং তার বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা রয়েছে
- 📌 ২০২৫ সালের ১৯ জুন শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছিল, সেই সময়ও তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে মঙ্গলবার শরিফুল ইসলামের মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় তিনি পালিয়ে যান। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার দায়িত্বে ছিলেন কনস্টেবল আবদুল আলিম। আদালতককক্ষ থেকে তিনি কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান। এই ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং তদন্তের পর মামলা করা হবে।
শরিফুলের বিরুদ্ধে আগে থেকেই কোতোয়ালি থানায় পালানোর মামলা ছিল। সেই মামলায় আজ শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। শরিফুলের বাবার নাম শফিক আহমেদ এবং তার বাড়ি দিনাজপুরে। শরিফুলের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা রয়েছে। এই মামলায় তিনি ২০১৮ সাল থেকে কারাগারে ছিলেন।
২০২৫ সালের ১৯ জুন শরিফুলকে কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়েছিল। সেই সময় তিনি পুলিশের এক সদস্যকে কামড় দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়েছিলেন। এই ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছিল, শরিফুলের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছিল এবং তিনি ছয় বছর ধরে কারাগারে ছিলেন।
"আদালতককক্ষ থেকে তিনি কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান। সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত হবে। মামলা হবে। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"
— ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, কোতোয়ালি থানা, খিলগাঁও থানা, দিনাজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুল ইসলাম, মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল, জামসেদ আলম, কনস্টেবল আবদুল আলিম, শফিক আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২:৩০ (দুপুর সাড়ে), ১৯ (জুন ২০২৫)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!