📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

করোনা প্রকল্পে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ: জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা অনুমোদন

করোনা প্রকল্পে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ: জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা অনুমোদন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 করোনা মহামারির সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইআরপিপি প্রকল্পে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎের অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদকের অনুসন্ধানে প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) করোনা মহামারির সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি)’ প্রকল্পে ১২ কোটি ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎের অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা অনুমোদন করেছে। সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানানো হয়, প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পৃথক অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মামলা করার সুপারিশ করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১২ কোটি ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ**: করোনা প্রকল্পে অনিয়মে সরকারি অর্থ আত্মসাৎের অভিযোগে মামলা অনুমোদন
  • 📌 **১৩ জন আসামি**: জাহিদ মালেকসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
  • 📌 **ছয়টি মামলা**: ইআরপিপি প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে অনিয়মের ভিত্তিতে মামলা অনুমোদন
  • 📌 **অভিযোগের ধারা**: দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০বি ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা
  • 📌 **অতিরিক্ত পরিশোধ**: পাঁচটি মামলায় টাকা অতিরিক্ত গ্রহণের অভিযোগ

📰 বিস্তারিত

দুদকের অনুসন্ধানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি)’ প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজে অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. ইকবাল কবিরসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। আসামিদের মধ্যে রয়েছে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. সানিয়া তাহমিনা ঝোরা, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, সাবেক সহকারী পরিচালক ডা. মো. শরিফুল হাসান, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত এবং মেডিকেল অফিসার ডা. অনির্বান সরকার। এছাড়াও জাদিদ অটোমোবাইলসের কাজী শামীমুজ্জামান, ই-মিউজিকের মো. হোসনী ইয়ামিন, ব্রেন স্টেশন ২৩ লিমিটেডের রইসুল কবীর, ইনশা ট্রেড করপোরেশনের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, সিম করপোরেশনের মো. মোস্তফা মনোয়ার এবং এসআরএস ডিজাইন অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেডের মো. সাইফুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের সচিব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান খান জানান, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক অসদাচরণ, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। মামলাগুলোতে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০বি ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রকল্পের প্রথম মামলায় জাহিদ মালেকসহ আটজনকে আসামি করা হয়েছে। প্যাকেজ জিডি-০১-এর আওতায় কেএন৯৫ ও এন৯৫ মাস্ক এবং হ্যান্ড গ্লাভস কেনাকাটায় ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। দ্বিতীয় মামলায় প্যাকেজ জিডি-১৩-এর আওতায় পাঁচ ও তিন ফাংশনের বৈদ্যুতিক হাসপাতাল বেড কেনায় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। তৃতীয় মামলায় জাহিদ মালেকসহ আটজনকে আসামি করা হয়েছে। প্যাকেজ জিডি-০৫-এর আওতায় করোনা মহামারিতে ব্যবহারের জন্য কেএন৯৫ মাস্ক কেনাকাটায় ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

"আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক অসদাচরণ, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, দুদকের সচিব মোহাম্মদ সাইদুর রহমান খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কোটি ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ; ১৩ জন আসামি; ৬টি মামলা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖