📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংবিধান সংশোধনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মজবুত করতে হবে: সাবেক ম্যাজিস্ট্রেটের দাবি

সংবিধান সংশোধনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মজবুত করতে হবে: সাবেক ম্যাজিস্ট্রেটের দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বরিশালের সাবেক ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিকতার শিক্ষক বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২-এ রাষ্ট্রের সংজ্ঞায় বিচার বিভাগের উল্লেখ না থাকায় গণতন্ত্রের মূল নীতির পৃথক্করণ ও স্বাধীনতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি দাবি করেছেন, সংবিধান সংশোধনে বিচার বিভাগকে রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত

বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনের আলোচনা চলাকালে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উপেক্ষিত হয়ে যাচ্ছে — রাষ্ট্রের সংজ্ঞায় বিচার বিভাগের উল্লেখের অভাব। বরিশালের সাবেক ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিকতার শিক্ষক একজন ব্যক্তি এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ১৯৯৮ সালে বরিশালের ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন একটি বই পড়ার সময় এই বিষয়টি তাদের নজরে এসেছিল। আইনজীবী গাজী শামসুর রহমানের লেখায় বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রের সংজ্ঞায় বিচার বিভাগের উল্লেখ না থাকার কথা উল্লেখ ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সংবিধান অনুচ্ছেদ ১৫২তে রাষ্ট্রের সংজ্ঞায় বিচার বিভাগের উল্লেখ নেই, যা গণতন্ত্রের মূল নীতির পৃথক্করণ ও স্বাধীনতার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে।
  • 📌 বিচার বিভাগকে রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে বিচারকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কমবে।
  • 📌 মাসদার হোসেন মামলার রায়ে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগীয় চাকরি প্রজাতন্ত্রের চাকরি হলেও তা সাধারণ সরকারি চাকরির মতো নয়।
  • 📌 অন্তর্বর্তী সরকারের সচিবালয় গঠন এবং নতুন সরকারের তা বাতিল করার ঘটনায় দেখা যায়, বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা প্রায়ই রাজনৈতিক ক্ষমতা দ্বারা হস্তক্ষেপের শিকার হয়।
  • 📌 সংবিধান সংশোধনে অনুচ্ছেদ ১৫২-এ বিচার বিভাগ যোগ করা সহজ এবং তা বিচার প্রশাসন রক্ষার ভবিষ্যৎ কাজকে সহজতর করবে।

📰 বিস্তারিত

১৯৯৮ সালে বরিশালের ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন একজন ব্যক্তি বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে পাঁচ মাসের আবাসিক কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে সংবিধান পড়ানো হতো। সেই সময় আইনজীবী গাজী শামসুর রহমানের একটি বই পড়ার সময় তিনি দেখেন, বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রের সংজ্ঞায় বিচার বিভাগের উল্লেখ নেই। তিনি এই বিষয়ে বিভিন্ন বিচারপতি ও আইনজীবীদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন, কিন্তু কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা পাননি।

সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির বৈঠকে সাংবাদিকতার শিক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করে তিনি আবারও এই প্রশ্ন তুলেন। কিন্তু সদস্যরা তার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, এই বিষয়টি দীর্ঘদিনের একটি নীরবতা। বাংলাদেশের সংবিধান অনুচ্ছেদ ১৫২-এ রাষ্ট্রের সংজ্ঞায় সংসদ, সরকার এবং সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের উল্লেখ রয়েছে, কিন্তু বিচার বিভাগের উল্লেখ নেই।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পৃথক্করণের বিষয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তিনটি অংশে বিভক্ত: সংসদ আইন তৈরি করে, সরকার তা বাস্তবায়ন করে এবং বিচার বিভাগ আইন ব্যাখ্যা করে ও অন্য দুই অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধানে বিচার বিভাগের উল্লেখ না থাকায় এই পৃথক্করণের মূল নীতির প্রতি প্রশ্ন উঠে।

"বিচার বিভাগকে রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে, বিচারকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কমবে। রাষ্ট্রের সংজ্ঞায় বিচার বিভাগ যোগ করা মানে স্বীকার করা যে সংবিধানে তিনটি পূর্ণ অংশই সমান।"

তিনি উল্লেখ করেন, মাসদার হোসেন মামলার রায়ে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগীয় চাকরি প্রজাতন্ত্রের চাকরি হলেও তা সাধারণ সরকারি চাকরির মতো নয়। কিন্তু বাস্তবে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক স্বাধীনতা প্রায়ই রাজনৈতিক ক্ষমতা দ্বারা হস্তক্ষেপের শিকার হয়। উদাহরণস্বরূপ, অন্তর্বর্তী সরকার সুপ্রিম কোর্টের অধীনে একটি সচিবালয় গঠনের অধ্যাদেশ জারি করেছিল, যা নতুন সরকার বাতিল করেছে।

বিচার বিভাগকে রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ফলে, বিচার প্রশাসন রক্ষার ভবিষ্যৎ কাজ সহজতর হবে। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনে অনুচ্ছেদ ১৫২-এ বিচার বিভাগ যোগ করা সহজ এবং তা বিচারকদের নিরপেক্ষ ভূমিকা অক্ষুণ্ন রাখবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বরিশাল, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবেক ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিকতার শিক্ষক
  • 📌 উল্লেখিত অনুচ্ছেদ: ১৫২, ২২

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖