📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিটিসেলের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: আদালতের নজরদারি ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত

সিটিসেলের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: আদালতের নজরদারি ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিটিসেলের চারজন পরিচালক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার ৭ম অর্থঋণ আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আর্থিক দায়দেনা পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তার করে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

সিটিসেলের চারজন পরিচালক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার ৭ম অর্থঋণ আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আর্থিক দায়দেনা ও অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতার অভিযোগে দায়ের করা অর্থজারি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিটিসেলের চারজন পরিচালক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার ৭ম অর্থঋণ আদালত।
  • 📌 গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন সিটিসেলের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং একজন জামিনদার ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান অর্থ কর্মকর্তা।
  • 📌 গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের নাম: মো. মোর্শেদ, আসগর করিম, মো. ফারিকুল হাসান ও নাসরিন খান।
  • 📌 তাদের গ্রেপ্তার করে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় উল্লেখ করা ঠিকানা: প্যাসিফিক সেন্টার, ১৪ মহাখালী সি/এ, গুলশান, ঢাকা-১২১২।
  • 📌 আদালতের আদেশ অনুযায়ী, গুলশান থানার কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার ও হাজির করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 মামলা নম্বর: অর্থজারি মামলা ৮১০/২০২৬।

📰 বিস্তারিত

সিটিসেলের বিরুদ্ধে চলমান অর্থজারি মামলায় আর্থিক দায়দেনা ও অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতার অভিযোগে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। ঢাকার ৭ম অর্থঋণ আদালতের যুগ্ম জেলা জজ গত ২৬ সেপ্টেম্বর এই আদেশ স্বাক্ষর করেছেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, এই মামলার আওতায় চারজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন সিটিসেলের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং একজন প্রতিষ্ঠানটির জামিনদার ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান অর্থ কর্মকর্তা। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের নাম হলেন মো. মোর্শেদ, আসগর করিম, মো. ফারিকুল হাসান এবং নাসরিন খান। আদালতের পরোয়ানায় উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের ঠিকানা প্যাসিফিক সেন্টার, ১৪ মহাখালী সি/এ, গুলশান, ঢাকা-১২১২।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার ও হাজির করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের আদেশের অনুলিপি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৪(১) ধারার আওতায় এবং ছয় মাসের আটক রাখার আদেশসংক্রান্ত বিধানের প্রেক্ষাপটে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তবে এই পরোয়ানা জারি হওয়া নিজেই কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সমান নয়। এটি আদালতের একটি আইনগত পদক্ষেপ, যার উদ্দেশ্য হলো মামলার আদেশ ও কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আদালতের সামনে হাজির করা।

"আর্থিক দায়দেনা ও অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতার অভিযোগের জের ধরে দায়ের করা অর্থজারি মামলায় এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, প্যাসিফিক সেন্টার, ১৪ মহাখালী সি/এ, গুলশান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মোর্শেদ, আসগর করিম, মো. ফারিকুল হাসান, নাসরিন খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মামলা নম্বর ৮১০/২০২৬, ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৮ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖