📌 চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদায় আ.লীগ নেতা আবু ছিদ্দিককে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন এবং হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় নেতা পালিয়ে যায়। পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা আবু ছিদ্দিককে গ্রেপ্তার করার সময় পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন এবং নেতা পালিয়ে যায়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চণ্ডীপুর এলাকায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদায় পুলিশের ওপর হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন
- 📌 হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় আ.লীগ নেতা আবু ছিদ্দিক পালিয়ে যায় পরিবারের সদস্যদের সহায়তায়
- 📌 পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে — রবি হালদারের ছেলে লক্ষ্মণ, সেলিমের ছেলে ফিরোজ, সঞ্চয়ের স্ত্রী কণা ও সনজিতের স্ত্রী সোনালী
- 📌 দর্শনা থানার পুলিশ দল গ্রেপ্তার অভিযানে যান, কিন্তু নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় হামলা হয়
📰 বিস্তারিত
দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চণ্ডীপুর এলাকায় বুধবার রাত ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চণ্ডীপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য আবু ছিদ্দিক মেম্বারকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এই হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় আবু ছিদ্দিক পালিয়ে যান।
দামুড়হুদা-জীবননগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুল্লাহ জানান, আ.লীগ নেতা আবু ছিদ্দিককে আটক করতে গেলে পরিবারের লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তিনি বলেন, “আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা চলছে। পলাতক আবু ছিদ্দিককে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রবি হালদারের ছেলে লক্ষ্মণ, সেলিমের ছেলে ফিরোজ, সঞ্চয়ের স্ত্রী কণা এবং সনজিতের স্ত্রী সোনালী। এলাকায় এই ঘটনার কারণে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
"আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা চলছে। পলাতক আবু ছিদ্দিককে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদা উপজেলা, কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন, চণ্ডীপুর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু ছিদ্দিক মেম্বার (আ.লীগ নেতা), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরুল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন পুলিশ সদস্য আহত, ৩০ সেপ্টেম্বর, রাত ৯টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!