📌 চকরিয়া উপজেলার ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডে তার মা মিনু আকতার (৫০) শোকে জ্ঞান হারাচ্ছেন। রোববার রাতে সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে তাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং স্থানীয় লোকজন সিসি ক্যামেরার ফুটেজের দাবি জানাচ্ছেন
চকরিয়া উপজেলার ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলামের (জিসান) হত্যাকাণ্ডে তার মা মিনু আকতার (৫০) শোকে জ্ঞান হারাচ্ছেন। জ্ঞান ফিরলেই তিনি একটাই চাহিদা জানাচ্ছেন — 'আমার ছেলেকে এনে দাও'। গত রোববার রাত ১১টায় সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে তাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। চার ঘণ্টা পর মহাসড়কের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলামের লাশ মহাসড়কের পাশে উদ্ধার করা হয়, চার ঘণ্টা আগে তাকে অপহরণ করা হয়েছিল
- 📌 হত্যাকাণ্ডের শিকার মিনু আকতার (৫০) শোকে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন, জ্ঞান ফিরলেই ছেলেকে ফিরিয়ে দেবার দাবি জানাচ্ছেন
- 📌 হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, স্থানীয় লোকজন সিসি ক্যামেরার ফুটেজের দাবি জানাচ্ছেন
- 📌 পুলিশ চার নারী ও এক প্রহরীকে আটক করেছে, প্রাথমিকভাবে প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের ধারণা করা হচ্ছে
- 📌 ইসফাতুল ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য, তার মৃত্যুতে পরিবারকে আর্থিক ও মানসিকভাবে ভেঙে ফেলেছে
📰 বিস্তারিত
চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলামের (জিসান) হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলে শোকের তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়েছে। গত রোববার রাত ১১টায় সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে তাকে জোর করে একটি নোয়াহ মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়া হয়। অপহরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় তার খোঁজ করতে থাকেন। রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তাদের কাছে খবর আসে, চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার একটি ভবনে ইসফাতুলকে আটকে রাখা হয়েছে। সেখানে নেতা-কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে পুলিশ গিয়ে তল্লাশি চালায় এবং খবর পায়, মহাসড়কের পাশে ইসফাতুলের লাশ পড়ে আছে। পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
নিহত ইসফাতুলের বাবা নাজেম উদ্দিন এবং বড় ভাই মো. কায়সার অভিযোগ করেন, অপহরণের পর সবুজবাগ আবাসিক এলাকার একটি ভবনে ইসফাতুলকে আটকে রাখা হয়েছিল। সেখানে মারধরের পর তাঁর মৃত্যু হলে মরদেহ গাড়িতে তুলে মহাসড়কের খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া ঢালার নির্জন এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন জানান, সবুজবাগ আবাসিক এলাকার ভবনগুলোতে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। সেখানেও সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করলে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে সহায়তা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
নিহত ইসফাতুলের মা মিনু আকতার (৫০) শোকে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন। জ্ঞান ফিরলেই তিনি একটাই চাহিদা জানাচ্ছেন — 'আমার ছেলেকে এনে দাও'। তিনি বলেছেন, 'আমার দুই ছেলে আর তিন মেয়ে। জিসানকে মাস্টার্স পাস করিয়েছি। ব্যবসা করত সে। সুখের সময় আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে ওরা।' ইসফাতুল ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য। তাঁকে পড়াশোনা করিয়ে প্রতিষ্ঠিত করার পর তাঁর মা-বাবা যখন একটু স্বস্তির সময় কাটানোর কথা ভাবছিলেন, তখনই এমন মৃত্যুতে তাঁদের সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে।
"আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে ওরা। আমি কি আর কী করবো?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চকরিয়া উপজেলা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিনু আকতার (৫০), ইসফাতুল ইসলাম, নাজেম উদ্দিন, মো. কায়সার, পুলিশের ওসি মোহাম্মদ আরিফুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (মিনু আকতারের বয়স), ১১ (অপহরণের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!