📌 চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলিতে ১২ পুলিশ আহত হয়। অভিযানে গ্রেফতার হয় দিলদার হোসেনের মতো সন্ত্রাসী, তার হেফাজতে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হিসেবে চাঁদা আদায় ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। অভিযানে গ্রেফতার হয় দিলদার হোসেন (৩৭) নামের সন্ত্রাসী, তার হেফাজতে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য হিসেবে চাঁদা আদায় ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন
- 📌 অভিযানে গ্রেফতার হয় দিলদার হোসেন (৩৭), তার হেফাজতে উদ্ধার হয় ১১৯ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা বন্দুক ও অন্যান্য অস্ত্র
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন চাঁদা আদায় ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছিল
- 📌 বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে অভিযান চালিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়েন
- 📌 গ্রেফতারকৃত দিলদার হোসেনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে জানান, বুধবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে রাউজান উপজেলার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম ও মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বসের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিল। সর্বশেষ গত ২৫ সেপ্টেম্বর তারা আবু বক্কর চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি যাচাই করে সত্যতা পাওয়ার পর চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান চালায় রাউজান থানা পুলিশ।
অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরের ভেতরে থাকা জানে আলম, আজিজ বস, দিলদার হোসেন, রুবেল, মামুন-অর-রশিদ ওরফে মামুন ও বাঁচাসহ কয়েকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। অভিযানের এক পর্যায়ে দিলদার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়। অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতারকৃত দিলদার ও পলাতক সহযোগীদের সংঘবদ্ধ ও অস্ত্রধারী অপরাধী হিসেবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
দিলদার হোসেনের হেফাজত ও তার দেখানো জায়গা থেকে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা কাটা বন্দুক, চায়না রাইফেলের ১১৯ রাউন্ড গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দু’টি কটি ও দু’টি গুলি রাখার প্রসেস উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে কদলপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন জনকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুই রাউন্ড সীসা কার্তুজ, একটি রামদা ও একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।
"মো. জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম ও মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বসের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিল। সর্বশেষ গত ২৫ সেপ্টেম্বর তারা আবু বক্কর চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি যাচাই করে সত্যতা পাওয়ার পর চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান চালায় রাউজান থানা পুলিশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা, দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিলদার হোসেন (৩৭), মাসুদ আলম (পুলিশ সুপার), জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম, মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ পুলিশ আহত, ১১৯ রাউন্ড গুলি, ৩৭ বছর বয়সী দিলদার হোসেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!