📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কামরাঙ্গীরচরে ১৩ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণে সৎবাবার মৃত্যুদণ্ড: আদালতের রায়

কামরাঙ্গীরচরে ১৩ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণে সৎবাবার মৃত্যুদণ্ড: আদালতের রায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণে সৎবাবার (৪৩) মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে

ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে ২০২৩ সালে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণে সৎবাবার (৪৩) মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে এই সাজা কার্যকর করার আদেশ দেন আদালত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৩ বছর বয়সী কিশোরীকে ধর্ষণে সৎবাবার (৪৩) মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল
  • 📌 আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জরিমানার অনাদায়ে সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিমকে অর্থ প্রদানের নির্দেশ
  • 📌 ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট ঘটনাটি ঘটে, যেখানে আসামি শিশুটিকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করে তোলে
  • 📌 মামলায় ৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয় এবং ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট বিচার শুরু হয়
  • 📌 আসামি রায় ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন

📰 বিস্তারিত

২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট ঘটে যাওয়া এই ধর্ষণ মামলায় আসামি ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের দ্বিতীয় স্বামী। আদালতের তথ্য অনুযায়ী, আসামি একই বাসায় থাকা অবস্থায় শিশুটিকে ধর্ষণ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করে তোলেন। পরবর্তীতে শিশুটি সন্তান জন্ম দেয়। ঘটনাটি ঘটার পর ভুক্তভোগী মা ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেন।

২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি তদন্ত শেষে পুলিশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালীন মোট ৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় ঘোষণায় বলেন, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, “ধর্ষণ নারীর মর্যাদার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ঘৃণ্য অপরাধ, যা শিশু ভিকটিমের আত্মাকে আঘাত করে এবং সমাজের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব আদালতের উপর ন্যস্ত।”

রায়ে আদালত উল্লেখ করেছেন যে, আসামি একজন মানুষ হিসেবে শিশুটিকে ধর্ষণ করে একটি ঘৃণ্য অপরাধ করেছেন। এই অপরাধ শুধু ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধেই নয়, সমাজের বিরুদ্ধেও সংঘটিত হয়েছে। রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “সমাজের আর্তনাদে সাড়া দিয়ে একটি ঘৃণ্য অপরাধের জন্য যথাযথ শাস্তি নির্ধারণ করা আদালতের দায়িত্ব।”

"ধর্ষণ নারীর মর্যাদার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ঘৃণ্য অপরাধ, যা কেবল তার সম্মানই ক্ষুণ্ন করে না; বরং তার আত্মাকেও আঘাত করে। শিশু ভিকটিমকে ধর্ষণের অমার্জনীয় অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা আদালতের দায়িত্ব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসামি (৪৩), বিচারক মাসরুর সালেকীন, ভুক্তভোগী কিশোরী (১৩), আসামির সন্তান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (কিশোরীর বয়স), ৪৩ বছর (আসামির বয়স), ২০২৩ (ঘটনার বছর), ২৮ (আগস্ট), ২০২৫ (তদন্ত শেষের বছর), ৮ জন (সাক্ষী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖