📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দারুস সালামে শিশু নির্যাতন হত্যা: পলাতক বাবা ২ মাস পর গ্রেপ্তার, মা লাভলী বাদী

দারুস সালামে শিশু নির্যাতন হত্যা: পলাতক বাবা ২ মাস পর গ্রেপ্তার, মা লাভলী বাদী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দারুস সালাম থানায় পারিবারিক কলহে ২ মাস বয়সী শিশু সাবিহা ইসলাম রোজাকে গলাটিপে মারধর করে হত্যার অভিযোগে বাবা হৃদয় খানকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার ১৬ দিন পর শিশু মারা যায় এবং মা লাভলী আক্তার (১৯) মামলা দায়ের করেন

দারুস সালামে পারিবারিক কলহের জেরে দুই মাস বয়সী শিশুকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগে পলাতক বাবা হৃদয় খানকে (২৪) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে যাত্রাবাড়ীর দোলাইরপাড় এলাকায় গোয়েন্দা ও তদন্ত কর্মকর্তাদের যৌথ অভিযানে তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা লাভলী আক্তার (১৯) বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দারুস সালামে পারিবারিক কলহে ২ মাস বয়সী শিশু সাবিহা ইসলাম রোজাকে গলাটিপে ও মারধর করে হত্যার অভিযোগে বাবা হৃদয় খানকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • 📌 ২০২৫ সালের ২ জুলাই লাভলী আক্তার (১৯) ও হৃদয় খানের বিয়ে হয়, তাদের সংসারে ১১ জুন ২০২৬ সালে শিশু সাবিহা জন্মগ্রহণ করেন।
  • 📌 ২২ আগস্ট রাতে শিশুটিকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান হৃদয়। পরদিন সকালে মা তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
  • 📌 ১৬ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ৬ সেপ্টেম্বর শিশু মারা যায়। মা লাভলী বাদী হয়ে দারুস সালাম থানায় মামলা করেন।
  • 📌 পলাতক থাকাকালীন গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে হৃদয় খানের অবস্থান শনাক্ত করে এসআরবি-৪ ও এসআরবি-১০-এর যৌথ দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

📰 বিস্তারিত

দারুস সালাম থানার গৈদারটেক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাসকারী হৃদয় খান ও লাভলী আক্তারের সংসারে ২০২৬ সালের ১১ জুন একটি কন্যাশিশু সাবিহা ইসলাম রোজার জন্ম হয়। ঘটনাক্রমে ২২ আগস্ট রাতে পারিবারিক কলহের জেরে শিশুটিকে গলাটিপে ও মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান হৃদয়। পরদিন সকালে শিশুটির মা লাভলী তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। শিশুটি ১৬ দিন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন থাকার পর ৬ সেপ্টেম্বর মারা যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা লাভলী আক্তার বাদী হয়ে দারুস সালাম থানায় মামলা করেন। এসআরবি জানায়, ঘটনার পর থেকে হৃদয় পলাতক ছিলেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআরবি-৪-এর সহায়তা চান। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে। এর পর এসআরবি-৪ ও এসআরবি-১০-এর যৌথ দল অভিযান চালিয়ে হৃদয় খানকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হৃদয় খানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

এছাড়াও, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় বিজিবির চোরাচালানবিরোধী অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়ে নোমান মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিজিবির এক সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।

"গত ২২ আগস্ট রাতে মা ও শিশু ঘুমিয়ে পড়লে পারিবারিক কলহের জেরে শিশুটিকে গলাটিপে ও মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান হৃদয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দারুস সালাম (ঢাকা), হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হৃদয় খান (২৪), লাভলী আক্তার (১৯), সাবিহা ইসলাম রোজা (২ মাস), নোমান মিয়া (৩০)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ মাস (শিশুর বয়স), ২৪ বছর (হৃদয় খানের বয়স), ১৯ বছর (লাভলী আক্তারের বয়স), ২০২৫ সালের ২ জুলাই (বিয়ে), ১১ জুন ২০২৬ (শিশু জন্ম), ২২ আগস্ট (ঘটনা), ১৬ দিন (হাসপাতালে চিকিৎসা), ৬ সেপ্টেম্বর (মৃত্যু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖