📌 বগুড়ার শাজাহানপুরে একটি মুরগির খামারে শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য পাচারের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। ৯ জন শিক্ষার্থী ৫০০ টাকার বিনিময়ে তাদের ছবি ও ফেস ভেরিফিকেশন করায় জড়িত পেয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সাব্বির হাসান রাকিব স্বীকার করেছেন, তিনি ৫০০ টাকার বিনিময়ে ছবি তুলছেন এবং বিদেশে তথ্য পাচার করছেন। অভিভাবক ও প্রশাসনের সতর্কতা দাবি করা হয়েছে
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় শিশু-কিশোরদের ব্যক্তিগত তথ্য পাচারের নতুন ধরনের অপরাধের খবর উঠে এসেছে। টাকার লোভে স্কুল ছেড়ে চলে যাওয়া ৯ জন শিক্ষার্থী তাদের মুখের ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য ৫০০ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছিলেন। এই অপরাধের পেছনে জড়িত একজন স্থানীয় তরুণ সাব্বির হাসান রাকিবের নাম উঠেছে। তিনি স্বীকার করেছেন, তিনি ৫০০ টাকার বিনিময়ে ছবি তুলছেন এবং ফেস ভেরিফিকেশন করছেন। এই তথ্য বিদেশে পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় একটি মুরগির খামারে শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য পাচারের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- 📌 ৯ জন শিক্ষার্থী ৫০০ টাকার বিনিময়ে তাদের ছবি ও ফেস ভেরিফিকেশন করায় জড়িত পেয়েছে।
- 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তি সাব্বির হাসান রাকিব স্বীকার করেছেন, তিনি ৫০০ টাকার বিনিময়ে ছবি তুলছেন এবং তথ্য বিদেশে পাচার করছেন।
- 📌 একজন শিক্ষার্থী তিন মাস আগে বন্ধুর মাধ্যমে এই খামারের সন্ধান পেয়েছিলেন এবং ২০০ টাকার বিনিময়ে প্রথমে অংশ নিয়েছিলেন।
- 📌 অভিযোগ করা হয়েছে, শাজাহানপুরের রহিমাবাদ এলাকার সাবেক সেনাসদস্য আমিরুল ইসলাম থানায় অভিযোগ করেছিলেন, কিন্তু পুলিশ তদন্ত করেনি।
📰 বিস্তারিত
শেরপুর উপজেলার মহিপুর কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষার্থী তাদের স্কুলের ব্যাগ রেখে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার একটি মুরগির খামারে গিয়েছিল। সেখানে তাদের ছবি তুলে এবং ফেস ভেরিফিকেশন করার বিনিময়ে তারা ৫০০ টাকার পেয়েছিল। এই ঘটনার পেছনে জড়িত একজন তরুণ সাব্বির হাসান রাকিব। তিনি স্বীকার করেছেন যে, তিনি ৫০০ টাকার বিনিময়ে ছবি তুলছেন এবং ফেস ভেরিফিকেশন করছেন। এর আগে তিনি সৈকত ও মামুন নামের দুই তরুণের সাথে কাজ করতেন, যারা সহস্রাধিক ব্যক্তির পাসপোর্টের ছবি ও পরিচয়পত্রের তথ্য নিয়েছিলেন।
এই ঘটনায় শাজাহানপুরের রহিমাবাদ এলাকার সাবেক সেনাসদস্য আমিরুল ইসলাম থানায় সৈকতের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু পুলিশের কাছে অভিযোগের কোনো লিখিত প্রমাণ না থাকায় তদন্ত করা হয়নি। পুলিশের মতে, কেউ একজন মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছিলেন, পরে উভয় পক্ষ নিজেদের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করে নেয়। এই ঘটনায় অভিভাবক ও প্রশাসনের সতর্কতা দাবি করা হয়েছে।
ড. তৌহিদুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেছেন, এই ধরনের অপরাধের মাধ্যমে শিশুদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিক্রি করা হচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ বিপদে ফেলতে পারে।
"অর্থের বিনিময়ে শিশুদের ব্যবহার করে একটি অজ্ঞাত ডিজিটাল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হচ্ছে—এটি অভিভাবক ও প্রশাসন উভয়ের জন্য গুরুতর সতর্কবার্তা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা, শাজাহানপুরের মুরগির খামার ও ডেমাজানি ব্রিজের কাছে গুদাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাব্বির হাসান রাকিব, সৈকত, মামুন, আমিরুল ইসলাম, ড. তৌহিদুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ টাকা, ৯ জন শিক্ষার্থী, ২০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!