📌 চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত চট্টগ্রাম ওয়াসার সাবেক গাড়িচালক মো. তাজুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী খাইরুন্নেছা বেগমকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ মামলায় তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। আদালত তাদেরকে অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে
চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত আজ সোমবার (৫ অক্টোবর ২০২৬) জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ মামলায় চট্টগ্রাম ওয়াসার সাবেক গাড়িচালক মো. তাজুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী খাইরুন্নেছা বেগমকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে। বিচারক মো. মিজানুর রহমানের রায় অনুযায়ী, তাজুল ইসলামকে ৩১ লাখ ৩৮ হাজার ৩৮৬ টাকার ৫০ শতাংশ অর্থদণ্ড (১৫ লাখ ৬৯ হাজার ১৯৩ টাকা) এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী খাইরুন্নেছা বেগমও একই মামলায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড পেয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম ওয়াসার সাবেক গাড়িচালক মো. তাজুল ইসলাম ও স্ত্রী খাইরুন্নেছা বেগমকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড
- 📌 তাজুল ইসলামকে ১৫ লাখ ৬৯ হাজার ১৯৩ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ছয় মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড
- 📌 স্ত্রী খাইরুন্নেছা বেগমকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং ১৫ লাখ ৬৯ হাজার ১৯৩ টাকা অর্থদণ্ডের অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড
- 📌 আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায়ের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে
- 📌 মামলায় অভিযোগ ছিল জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্থের অর্জন ও দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের লঙ্ঘন
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার পশ্চিম শহিদনগর এলাকার বাসিন্দা মো. তাজুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী খাইরুন্নেছা বেগমকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্তে দেখা যায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্থ উপার্জন করে তা দিয়ে খাইরুন্নেছা বেগমের নামে জমি ক্রয় ও ভবন নির্মাণে বিনিয়োগ করেছেন। এছাড়াও, স্বামীর অবৈধ অর্থকে বৈধতা দেওয়ার উদ্দেশ্যে স্ত্রী নিজের নামে আয়কর নথি খোলেন এবং অর্জিত সম্পদ ও আয়ের উৎস প্রদর্শন করেছেন।
দুদকের পিপি মোকাররম হোসেন জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত রায় দিয়েছে। তিনি বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায়ের পর তাদের সাজামূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, আসামিরা দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ১২ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগও করা হয়েছিল।
মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১ জুলাই বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং বিচার শুরু হয়।
"আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায়ের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।" — মোকাররম হোসেন, দুদকের পিপি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. তাজুল ইসলাম, খাইরুন্নেছা বেগম, বিচারক মো. মিজানুর রহমান, মোকাররম হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৩১ লাখ ৩৮ হাজার ৩৮৬ টাকা, ৫০ শতাংশ অর্থদণ্ড, ১৫ লাখ ৬৯ হাজার ১৯৩ টাকা, ১২ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!