📌 চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালত চট্টগ্রাম ওয়াসার বরখাস্ত গাড়িচালক তাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী খাইরুন নেসাকে দুর্নীতির মামলায় তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত জানায়, তাজুলের স্ত্রীর কোনো আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও তাদের নামে অবৈধভাবে ৫৯ লাখ টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে
চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম ওয়াসার বরখাস্ত গাড়িচালক তাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী খাইরুন নেসাকে দুর্নীতির মামলায় তিন বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। বিচারক মিজানুর রহমানের বেঞ্চে এই রায় ঘোষণা করা হয়। মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম ওয়াসার বরখাস্ত গাড়িচালক তাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী খাইরুন নেসাকে দুর্নীতির মামলায় তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ২০০২ সালে রৌফাবাদ এলাকায় ৩ শতক জমিতে পাঁচতলা বাড়ি নির্মাণের দাবি করা হয় ২৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা, কিন্তু দুদকের তদন্তে বের হয় ৩৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়।
- 📌 স্ত্রীর নামে ব্যাংকে ২১ লাখ ৩০ হাজার টাকা অবৈধ সম্পদ পাওয়া যায়, মোট অবৈধ সম্পদ ৫৯ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।
- 📌 তাজুলের স্ত্রীর কোনো আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও পোলট্রি খামারি সাজিয়ে স্বামীর অবৈধ আয়কে বৈধ করার চেষ্টা করা হয়।
- 📌 মামলা দায়ের হয় ২০২২ সালের ৫ মার্চ, তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের রৌফাবাদ এলাকায় অবস্থিত তাজুল ইসলামের পাঁচতলা বাড়িটি এলাকার তৈয়্যবিয়া হাউজিং সোসাইটির সরু গলি ধরে চোখে পড়ে। বাড়িটিতে মোট ১৭টি ফ্ল্যাট রয়েছে। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, তাজুল ইসলাম নিজের অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থকে বৈধ করার জন্য স্ত্রীর নামে জমি কিনে পাঁচতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। তবে বাড়ির নির্মাণ ব্যয়ের দাবি করা হয় ২৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা, কিন্তু গণপূর্ত বিভাগের তিনজন উপপ্রধান প্রকৌশলীর মাধ্যমে দুদকের নিরপেক্ষ তদন্তে বের হয় ৩৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়।
দুদকের কৌশলী মোকাররাম হোসেন প্রথম আলোকে জানান, মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত এই রায় দিয়েছে। তিনি বলেন, “তাজুলের স্ত্রীর কোনো আয়ের উৎস পাওয়া যায়নি। স্বামীর অবৈধ আয়কে বৈধ করার জন্য স্ত্রীকে পোলট্রি খামারি সাজানো হয়।”
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. সাহেদ জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা হাজির ছিলেন। মামলা দায়ের হয় ২০২২ সালের ৫ মার্চ, এবং তিন বছর তদন্তের পর অভিযোগপত্র দেন দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন।
"তাজুলের স্ত্রীর কোনো আয়ের উৎস পাওয়া যায়নি। স্বামীর অবৈধ আয়কে বৈধ করার জন্য স্ত্রীকে পোলট্রি খামারি সাজানো হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, রৌফাবাদ এলাকা, পশ্চিম শহীদনগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাজুল ইসলাম, খাইরুন নেসা, মিজানুর রহমান, মোকাররাম হোসেন, মো. এমরান হোসেন, মো. সাহেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ শতক জমি, ২৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা (দাবি), ৩৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা (বাস্তব), ২১ লাখ ৩০ হাজার টাকা (ব্যাংকে), ৫৯ লাখ ৮৯ হাজার টাকা (মোট অবৈধ সম্পদ), ৯ জন সাক্ষী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!