📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইকরাম ওয়াহিদ তোহাকে (২৫) বিয়ের আশ্বাসে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটি পাঁচ দিন আগে মামলা দায়ের করে। পুলিশ ও আদালতের তদন্ত চলছে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইকরাম ওয়াহিদ তোহাকে (২৫) বিয়ের আশ্বাসে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হাটহাজারী মডেল থানার কর্মকর্তারা জানান, মেয়েটি পাঁচ দিন আগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পুলিশের তদন্তে অভিযুক্ত তোহাকে বুধবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইকরাম ওয়াহিদ তোহাকে (২৫) বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৩ আগস্ট ও ১৩ সেপ্টেম্বর তোহা মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন।
- 📌 মেয়েটি বিয়ের কথা বলে টালমাল করলে তোহা যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।
- 📌 অভিযুক্ত তোহা হাটহাজারীর ফতেপুর ইউনিয়নের আনোয়ার ম্যানশনের একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন।
- 📌 ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।
- 📌 মামলা দায়েরের পর পুলিশ তোহাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইকরাম ওয়াহিদ তোহাকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় হাটহাজারীর একটি বাসা থেকে তোহাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহারে জানা যায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর তোহার সঙ্গে মেয়ের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৩ আগস্ট ও ১৩ সেপ্টেম্বর তোহা বিয়ের আশ্বাসে মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিয়ের কথা বললে তোহা নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং পরে যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।
অভিযুক্ত তোহা হাটহাজারীর ১১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর গেটসংলগ্ন আনোয়ার ম্যানশনের একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। ভুক্তভোগী নারী পাঁচ দিন আগে হাটহাজারী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক কামরুল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীর সঙ্গে মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
মিনু বেগম (৫৬), মেয়ের মা, বলেন, ‘মীম গত পরশু দিন ঢাকা গেল। আরও কয়েক দিন আগে চলে যেত। কিন্তু রোদ আর গরমের কারণে তাঁকে যেতে দিইনি। মীম যাওয়ার সময় বলেছিল, এবার টাকা জমিয়ে পুরোনো ঘরটা নতুন করে তৈরি করবে।’
"বিয়ের কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাটহাজারীর একটি বাসা থেকে ওই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে আদালতে নেওয়া হলে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।"
"মেয়েটি বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এ মামলায় হাটহাজারী থানা-পুলিশ তাঁকে আটক করে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, হাটহাজারী মডেল থানা, ফতেপুর ইউনিয়ন (হাটহাজারী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইকরাম ওয়াহিদ তোহা (২৫), মিনু বেগম (৫৬), মো. জাহিদুল ইসলাম (ওসি), অধ্যাপক কামরুল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (তোহার বয়স), ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ, ১০:৩০ (গ্রেপ্তার সময়), ১৩ আগস্ট ও ১৩ সেপ্টেম্বর (ধর্ষণের তারিখ), ১১ নম্বর ইউনিয়ন, ২ নম্বর গেট, ৫৬ বছর (মিনু বেগমের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!