📌 চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় একই সময়ে দুটি মাদ্রাসায় চাকরি ও বেতন গ্রহণের অভিযোগে শিক্ষক মো. আবদুল্লাহ আমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগে উঠেছে, তিনি এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে একই সময়ে দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি ও বেতন গ্রহণ করছিলেন
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় একই সময়ে দুটি মাদ্রাসায় চাকরি ও বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগে শিক্ষক মো. আবদুল্লাহ আমিনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগে উঠেছে, তিনি গারাঙ্গিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় ঠাকুরদীঘি নুরুল কোরআন দাখিল মহিলা মাদ্রাসায় সুপার পদে নিয়োগ নেন এবং বেতন গ্রহণ করছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. আবদুল্লাহ আমিন (ইনডেক্স নম্বর: এন-২০৯৭৫২০) গারাঙ্গিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় ঠাকুরদীঘি নুরুল কোরআন দাখিল মহিলা মাদ্রাসায় সুপার পদে নিয়োগ নেন এবং বেতন গ্রহণ করছিলেন।
- 📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে।
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষক নিজেকে ‘সংগঠক’, ‘পরামর্শদাতা’ বা ‘পরিচালক’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, কিন্তু বেতন গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
- 📌 গারাঙ্গিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নূরুল আজিম অভিযুক্ত শিক্ষককে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু নিজের দায়িত্ব অবহেলার কথা অস্বীকার করেছেন।
- 📌 সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব দাশ পুরকায়স্থ জানান, তদন্ত চলছে এবং দ্রুত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আসবে।
- 📌 মাদ্রাসায় শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা অনুপস্থিত বলে অভিভাবকদের অভিযোগ।
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় গারাঙ্গিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় মো. আবদুল্লাহ আমিন ২০২১ সালে ঠাকুরদীঘি নুরুল কোরআন দাখিল মহিলা মাদ্রাসায় সুপার পদে নিয়োগ নেন। সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি ও এমপিও নীতিমালার পরিপন্থি এই ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে পৃথক পৃথক অভিযোগ জমা পড়েছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আবদুল্লাহ আমিন ফেসবুকে ঠাকুরদীঘি নুরুল কোরআন দাখিল মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ভর্তি-সংক্রান্ত পোস্টে নিজেকে ‘সুপার’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে তিনি নিজেকে ‘সংগঠক’, ‘পরামর্শদাতা’ বা ‘পরিচালক’ হিসেবে কাজ করছেন বলে দাবি করেছেন। বেতন গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেছেন, তিনি ওই মাদ্রাসায় অনুদান দেন, তাই বেতন নেয়া ‘অবৈধ’ নয়।
গারাঙ্গিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নূরুল আজিম জানান, উপজেলা প্রশাসন থেকে তলব করার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে তিনি দায়িত্ব অবহেলার কথা অস্বীকার করেছেন। অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসায় শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
"আমি ওই মাদ্রাসায় অনুদান দেই, তাই বেতন নেয়া অবৈধ নয়"
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ জানান, এই অভিযোগ নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আসবে। তদন্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা আনওয়ার হোসেন পলাশ বলেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা, গারাঙ্গিয়া ও ঠাকুরদীঘি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুল্লাহ আমিন (ইনডেক্স নম্বর: এন-২০৯৭৫২০), মুহাম্মদ নূরুল আজিম, রাজীব দাশ পুরকায়স্থ, আনওয়ার হোসেন পলাশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২১ (নিয়োগের বছর), এন-২০৯৭৫২০ (ইনডেক্স নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!