📌 চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের তদন্তে সাত পুলিশ সদস্যের ইয়াবা আত্মসাতের চেষ্টায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে উপপরিদর্শক মো. সাজ্জাদসহ পাঁচজন নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা। পুলিশ সদর দপ্তরে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে
চট্টগ্রামে ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে সাত পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) তদন্ত কমিটি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে প্রতিবেদন পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে উপপরিদর্শক মো. সাজ্জাদ, সহকারী উপপরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন ও আরিফুর রহমান, নায়েক প্রণয় জ্যোতি চাকমা এবং কনস্টেবল মেহরাব হোসেন হৃদয়, ফেরদৌস ইমন ও মাহমুদুল হাসান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানার সিটি গেট চেকপোস্টে ইয়াবা আত্মসাতের চেষ্টায় সাত পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে উপপরিদর্শক মো. সাজ্জাদসহ পাঁচজন নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা
- 📌 ৬ আগস্ট দৈনিক আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পর তদন্ত শুরু হয়
- 📌 সিসিটিভি ফুটেজ ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণে ইয়াবা আত্মসাতের চেষ্টা প্রমাণিত হয়েছে
- 📌 পুলিশ সদর দপ্তরে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত ৪ জুন চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানার অধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিটি গেট পুলিশ চেকপোস্টে কক্সবাজার থেকে আসা সোহাগ পরিবহনের একটি বাসে পুলিশ তল্লাশি চালায়। পুলিশ বাসটির লাগেজ বক্স থেকে একটি মালিকবিহীন ব্যাগ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ব্যাগটি জব্দের বিষয়টি অস্বীকার করেছিল, কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজ ও সাক্ষীদের বক্তব্যে পরে ব্যাগটি পুলিশের জিম্মায় নেওয়ার তথ্য প্রকাশ পায়। পরে পুলিশ দাবি করে ব্যাগ থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জব্দ তালিকা ও সাক্ষীর স্বাক্ষর নিয়ে অসংগতি দেখা দেয়। অভিযোগ উঠে যে, ব্যাগে থাকা আনুমানিক ১ লাখ পিস ইয়াবা আত্মসাৎ করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।
তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী জানান, ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সাত পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ‘তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনার দিন ইয়াবা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বাস থেকে পাওয়া ব্যাগটি গোপনে সরিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।’
তদন্ত কমিটি দেড় মাসের বেশি সময় মাঠপর্যায়ে ঘটনাটি তদন্ত করে। প্রতিবেদনটি পুলিশ সদর দপ্তরে দাখিল করা হয়। তবে ব্যাগে কী পরিমাণ ইয়াবা ছিল, তার সঠিক সংখ্যা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর লম্বা সময় পেরিয়ে যাওয়ায় ইয়াবার প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
"তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনার দিন ইয়াবা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বাস থেকে পাওয়া ব্যাগটি গোপনে সরিয়েছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানা, সিটি গেট পুলিশ চেকপোস্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, উপপরিদর্শক মো. সাজ্জাদ, সহকারী উপপরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন ও আরিফুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ পুলিশ সদস্য, ৪০০ পিস ইয়াবা, ১ লাখ পিস ইয়াবা (আনুমানিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!