📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের খুলশী থানার ওসি আব্দুর রহিম খুলনায় বদলি: সন্ত্রাসী ওয়াকিল গ্রেপ্তারের ব্যর্থতা ও মেয়রের অভিযোগের পটভূমি

চট্টগ্রামের খুলশী থানার ওসি আব্দুর রহিম খুলনায় বদলি: সন্ত্রাসী ওয়াকিল গ্রেপ্তারের ব্যর্থতা ও মেয়রের অভিযোগের পটভূমি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের খুলশী থানার ওসি আব্দুর রহিমকে সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন গ্রেপ্তারের ব্যর্থতা ও মেয়র শাহাদাত হোসেনের অভিযোগের কারণে চট্টগ্রাম থেকে খুলনায় বদলি করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত যোগদানের নির্দেশ পেয়েছেন তিনি। মেয়র দাবি করেছেন ওয়াকিলকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে দেখেন, পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী নয়

চট্টগ্রামের খুলশী থানার ওসি আব্দুর রহিমকে সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন (ওরফে বগা) গ্রেপ্তারের ব্যর্থতা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মেয়র শাহাদাত হোসেনের তীব্র অভিযোগের কারণে চট্টগ্রাম থেকে খুলনায় বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করেন এবং ১০ অক্টোবর পর্যন্ত খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগদানের নির্দেশ পেয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামের খুলশী থানার ওসি আব্দুর রহিমকে সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন গ্রেপ্তারের ব্যর্থতা ও মেয়র শাহাদাত হোসেনের অভিযোগের কারণে খুলনায় বদলি করা হয়েছে।
  • 📌 পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগদানের নির্দেশ পেয়েছেন তিনি।
  • 📌 মেয়র শাহাদাত হোসেন দাবি করেছেন, ওয়াকিলকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে দেখেন এবং পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী নয়।
  • 📌 ওয়াকিলের বিরুদ্ধে ২৩টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
  • 📌 মেয়র বলেছেন, পুলিশের অভিযান ছিল ওয়াকিলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে, তিনি নগর ভবনে ছিলেন না।

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এম আওলাদ হোসেনের সই করা চিঠিতে আব্দুর রহিমকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। খুলশী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ওয়াকিল হোসেনের গ্রেপ্তারের ব্যর্থতা ও মেয়র শাহাদাত হোসেনের তীব্র সমালোচনার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গত মঙ্গলবার খুলশী থানা পুলিশ ওয়াকিল হোসেনকে গ্রেপ্তার করার জন্য টাইগারপাস এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে অভিযান চালায়। কিন্তু ওয়াকিলকে ধরতে না পেরে ফিরে আসে। পরদিন বুধবার মেয়র শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের কাছে খুলশী থানার ওসি আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, ‘ওয়াকিল সন্ত্রাসী নয়, জুলাই যোদ্ধা’। মেয়র বলেন, ‘তিনি দলের ত্যাগী নেতা। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তাঁর বিরুদ্ধে ১৭০ থেকে ১৮০টি মামলা দেওয়া হয়েছিল’।

মেয়র আরও জানান, ওয়াকিল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে তিনি হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে ২৩টি মামলা রয়েছে। মেয়র বলেন, ‘পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত ওয়াকিলকে তিনি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী হিসেবে মানেন না। তিনি দাবি করেন, ওয়াকিল গত ১৭-১৮ বছর বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন এবং জুলাই-আগস্টের আন্দোলনেও ‘যোদ্ধা’ হিসেবে অংশ নিয়েছেন।

আব্দুর রহিমের দাবি, ‘মেয়র ছুটিতে ছিলেন। নগর ভবনে পুলিশের অভিযানের বিষয়ে তিনি জানেন না। খুলশী থানার ওসি হিসেবে যোগ দেওয়ার পর এক কলেজশিক্ষককে মারধরের মামলায় ওয়াকিলকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়েছিল। ওই সময় ওয়াকিলের লোকজন পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করে বলে দাবি করেন তিনি’।

"পুলিশ নগর ভবনে ওয়াকিলকে ধরতে আসেনি, আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিল। ওয়াকিল ওখানে ছিল না। দলের দুঃসময়ে মিছিল সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন। কেউ অপরাধ করে থাকলে পুলিশ ব্যবস্থা নিক। গ্রেপ্তার করুক। আমি কোনো আশ্রয়–প্রশ্রয় দিচ্ছি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, খুলনা, খুলশী থানা, টাইগারপাস এলাকা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রহিম (ওসি), এম আওলাদ হোসেন (অতিরিক্ত আইজি), শাহাদাত হোসেন (মেয়র), ওয়াকিল হোসেন (সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং নেতা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর (যোগদানের শেষ তারিখ), ২৩টি মামলা, ১৭০-১৮০টি মামলা (আওয়ামী লীগ সরকারের সময়), ১৭-১৮ বছর (আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖