📌 চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর চৌধুরী ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. বেলাল উদ্দীনকে দুদক দুর্নীতির মামলায় আসামি ঘোষণা করেছে। সরকারি অনুদানের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের ডায়াবেটিক হাসপাতালের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরী ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. বেলাল উদ্দীনকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দুর্নীতির মামলায় আসামি ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ থেকে মামলা করা হয়। এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর চৌধুরী ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. বেলাল উদ্দীনকে দুদক মামলায় আসামি ঘোষণা করেছে
- 📌 সরকারি অনুদানের ২ কোটি ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে
- 📌 ২০১৮-১৯ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছিল হাসপাতাল
- 📌 ২০২০ সালের ৬ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত ১২টি চেকের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরিত হয়েছিল জাহাঙ্গীর চৌধুরীর ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে
- 📌 মারা যাওয়ার পরেও কোষাধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিনের স্বাক্ষরযুক্ত চেক ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাত করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে ২০১৮-১৯ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালকে বিভিন্ন খাতে মোট সাত কোটি ৯০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছিল। এতে বেতন-ভাতা, এমএসআর, পণ্য ও সেবা এবং দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন খাত অন্তর্ভুক্ত ছিল।
দুদকের অভিযোগ, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সরকারি অনুদান অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে কাজ করেছিল। অনুদানের অর্থ প্রথমে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির আন্দরকিল্লা শাখায় হাসপাতালের ব্যাংক হিসাবে জমা হত। পরে ২০২০ সালের ৬ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত ১২টি চেকের মাধ্যমে দুই কোটি ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় জাহাঙ্গীর চৌধুরীর ব্যক্তিগত চলতি হিসাবে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
তদন্তে জানা যায়, অর্থ স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত চেকগুলোতে ডায়াবেটিক সমিতির তৎকালীন কোষাধ্যক্ষ মো. শাহাব উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জাহাঙ্গীর চৌধুরী স্বাক্ষর করতেন। তবে ২০২১ সালের ২৩ এপ্রিল কোষাধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিনের মৃত্যুর পরও তার স্বাক্ষরযুক্ত চেক ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তর ও আত্মসাত অব্যাহত রাখা হয়েছিল।
"প্রাথমিক অনুসন্ধানে সরকারি অনুদান ও প্রকল্পের দুই কোটি ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়ায় কমিশনের অনুমোদন নিয়ে মামলাটি করা হয়েছে। তদন্তে এ ঘটনায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরী, মো. বেলাল উদ্দীন, মো. শাহাব উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ কোটি ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা (আত্মসাতের অর্থ), ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা (সরকারি অনুদান), ১২টি চেক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!