📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের আদালতের বাদীদের প্রতারণায় গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হক, পুলিশ পরিচয়ে টাকা আত্মসাতের চক্রের নেতা

চট্টগ্রামের আদালতের বাদীদের প্রতারণায় গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হক, পুলিশ পরিচয়ে টাকা আত্মসাতের চক্রের নেতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের একটি প্রতারণা চক্র আদালতের বাদীদের পুলিশ পরিচয়ে টাকা আত্মসাত করত। পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে মোজাম্মেল হক ওরফে কবির (৫০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পিবিআই তদন্তে চক্রের নেতা হিসেবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি স্বীকার করেছেন প্রতারণার কথা

চট্টগ্রামের একটি প্রতারণা চক্র আদালতের মামলার বাদীদের পুলিশ পরিচয়ে টাকা আত্মসাত করত। পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মো. মোজাম্মেল হক ওরফে কবির (৫০) নামের ব্যক্তিকে নোয়াখালীর সুধারাম থানার গৌরীপুর এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গত শুক্রবার এই গ্রেপ্তার পরিচালনা করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামের একটি প্রতারণা চক্র আদালতের বাদীদের পুলিশ পরিচয়ে টাকা আত্মসাত করত।
  • 📌 ২৩ সেপ্টেম্বর রাউজান থানায় মামলা করা হয়, পরে পিবিআই তদন্তে চক্রের নেতা মোজাম্মেল হক (৫০) গ্রেপ্তার হন।
  • 📌 প্রতারকরা নিজেদের পিবিআই, সিআইডি বা ডিবি কর্মকর্তা বলে টাকা আদায় করত।
  • 📌 মোজাম্মেল হক স্বীকার করেছেন প্রতারণার কথা এবং সহযোগীদের নাম দিয়েছেন।
  • 📌 পিবিআই চট্টগ্রামের উপপরিদর্শক (এসআই) রবি চন্দ্র দাশের নেতৃত্বে তদন্ত পরিচালনা করা হয়।

📰 বিস্তারিত

পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতের বাদীদের মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করত। পরে তারা নিজেদের পিবিআই, সিআইডি বা ডিবি কর্মকর্তা বলে মামলার বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় করত। গাড়িভাড়া ও তদন্তের খরচের নামে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে টাকা নেওয়া হত। প্রকৃত পুলিশ কর্মকর্তারা এই প্রতারণার বিষয় জানতে পারেন এবং একটি মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই বাদী হয়ে প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেছেন, প্রতারক চক্রটি তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে বাদীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিল। তিনি আরও জানান, চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের অভিযান চলমান রয়েছে।

মোজাম্মেল হক ওরফে কবিরকে নোয়াখালীর সুধারাম থানার গৌরীপুর এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন এবং সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। পিবিআই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

"প্রতারক চক্রটি তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে মামলার বাদীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালীর সুধারাম থানার গৌরীপুর এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মোজাম্মেল হক ওরফে কবির (৫০), পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন, এসআই রবি চন্দ্র দাশ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (মোজাম্মেল হক), ২৩ সেপ্টেম্বর (মামলা করা তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖