📌 চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মো. মুরাদ ও মো. জসিমের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫০-২০০ লোক জড়িত হয়। পুলিশ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। মুরাদকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয় মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে
চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রোববার রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ১৫০ থেকে ২০০ লোক জড়িত হয়। এই সংঘর্ষে গুলি বর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় জড়িত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল মাদক ব্যবসায়ের নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য মো. মুরাদ ও মো. জসিমের মধ্যে দ্বন্দ্ব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় মাদক ব্যবসায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মো. মুরাদ ও মো. জসিমের মধ্যে রোববার রাতে সংঘর্ষে ১৫০-২০০ লোক জড়িত হয়
- 📌 পুলিশ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করে, তাদের মধ্যে মো. জসিম এলাকার একটি পক্ষের নেতৃত্ব দেন
- 📌 মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং তৈরি ও জায়গা দখলের অভিযোগে মো. জসিমের বিরুদ্ধে পুলিশের নজর
- 📌 মো. মুরাদকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয় মাদক, অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে
- 📌 মুরাদ ফেসবুকে নিজেকে চান্দগাঁও থানা যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকার সৈয়দ শাহ সড়কে গত রোববার রাতে মাদক ব্যবসায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মো. মুরাদ ও মো. জসিমের মধ্যে সংঘর্ষে ১৫০ থেকে ২০০ লোক জড়িত হয়। এই সংঘর্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে ঘরে ঢুকে পড়েন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় জড়িত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে মো. জসিম এলাকার একটি পক্ষের নেতৃত্ব দেন।
পুলিশের তথ্য মতে, মো. জসিমের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং তৈরি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, মো. মুরাদকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে মাদক, অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে। মুরাদ ফেসবুকে নিজেকে চান্দগাঁও থানা যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ছবি ও ভিডিওও তার প্রোফাইলে রয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মুরাদ ও জসিমের দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয় বছরখানেক আগে। শুরুতে জসিম মুরাদের কাছ থেকে ইয়াবা নিয়ে বিক্রি করতেন। কিন্তু বছরখানেক আগে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। জসিম অন্য উৎস থেকে মাদক সংগ্রহ শুরু করেন এবং এলাকায় নিজের বলয় গড়ে তোলেন। এরপর মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়।
"এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য নিয়ে মুরাদ-জসিমের বিরোধ আরও তীব্র হয়। জসিমকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে ক্ষুব্ধ হন মুরাদ।" — স্থানীয় বাসিন্দা নাছির উদ্দিন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার সৈয়দ শাহ সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মুরাদ, মো. জসিম, নাছির উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন গ্রেপ্তার, ১৫০-২০০ লোক জড়িত, ২০টি মামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!