📌 চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আবুধাবি থেকে আসা এক যাত্রীর ননস্টিক প্যান, ব্লেন্ডার ও বাসন স্ট্যান্ডে লুকিয়ে ৫৬৬ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। মামলা করা হয় চোরাচালান আইনে
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবুধাবি থেকে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে ৫৬৬ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা এই সোনা ননস্টিক প্যান, স্টেইনলেস স্টিলের সবজি ব্লেন্ডার এবং বাসন রাখার স্ট্যান্ডে পাওয়া যায়। আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টায় এই সোনা উদ্ধার হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৫৬৬ গ্রাম সোনা উদ্ধার, যার দাম আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকা
- 📌 ননস্টিক প্যান, ব্লেন্ডার ও বাসন স্ট্যান্ডে লুকিয়ে রাখা ৪৬৬ গ্রাম সোনার দণ্ড এবং ১০০ গ্রাম সোনার চুড়ি পাওয়া যায়
- 📌 গ্রেপ্তার যাত্রীর নাম মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাসিন্দা
- 📌 বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, তল্লাশির সময় যাত্রীর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়েছিল
- 📌 চোরাচালান আইনে মামলা করা হয়েছে, পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর চলমান
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টায় একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে আবুধাবি থেকে আসা মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম নামের এক যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশির সময় বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা সোনা উদ্ধার করা হয়। বিমানবন্দরের ডিজিএফআই, এনএসআই এবং কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের যৌথ তত্ত্বাবধানে এই তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশির সময় ননস্টিক প্যান, স্টেইনলেস স্টিলের সবজি ব্লেন্ডার এবং বাসন রাখার স্ট্যান্ডের ভেতরে ৪৬৬ গ্রাম ওজনের চারটি সোনার দণ্ড এবং ১০০ গ্রাম ওজনের সোনার চুড়ি পাওয়া যায়। মোট উদ্ধার হওয়া সোনার ওজন ৫৬৬ গ্রাম। এই সোনার আনুমানিক দাম ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। উদ্ধারকৃত সোনা বিমানবন্দর কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, যাত্রী মোহাম্মদ কামরুল ইসলামের গতিবিধি কাস্টমস হলে সন্দেহজনক মনে হয়েছিল। এরপর বিমানবন্দরে দায়িত্বরত সংস্থাগুলোর যৌথ তত্ত্বাবধানে তল্লাশি করা হয়।
"আবুধাবি থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। কাস্টমস হলে তল্লাশির সময় তাঁর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়। এরপর বিমানবন্দরে দায়িত্বরত ডিজিএফআই, এনএসআই এবং কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের যৌথ তত্ত্বাবধানে ওই যাত্রীর ব্যাগেজের ভেতরে থাকা ননস্টিক প্যান, স্টেইনলেস স্টিলের সবজি ব্লেন্ডিংয়ের যন্ত্র এবং বাসন রাখার স্ট্যান্ডে তল্লাশি করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম (গ্রেপ্তার যাত্রী), প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল (বিমানবন্দর কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬৬ গ্রাম সোনা, ১ কোটি ২০ লাখ টাকা, ৪৬৬ গ্রাম সোনার দণ্ড, ১০০ গ্রাম সোনার চুড়ি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!