📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় আকছিনা গ্রামের এক শিক্ষিকাকে ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। শিক্ষিকা পালিয়ে যাওয়ার পর ঘটনাটি উন্মোচিত হয়। অভিযুক্ত নেতা দাবি করেছেন, ঘটনাটি মিথ্যা এবং তিনি শিক্ষিকার রাগ কমাতে সিএনজিতে ঘুরেছেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় আকছিনা গ্রামের এক শিক্ষিকাকে ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে। শিক্ষিকা পালিয়ে যাওয়ার পর ঘটনাটি উন্মোচিত হয় এবং অভিযোগকারী নারী শিক্ষিকা কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার আকছিনা গ্রামে ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে শিক্ষিকাকে অপহরণ চেষ্টার ঘটনা ঘটে
- 📌 অভিযোগকারী শিক্ষিকা দাবি করেছেন, ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ (৩৫) তাকে পিস্তল ঠেকিয়ে সিএনজিতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন
- 📌 অভিযুক্ত নেতা দাবি করেছেন, ঘটনাটি মিথ্যা এবং তিনি শিক্ষিকার রাগ কমাতে সিএনজিতে ঘুরেছেন
- 📌 শিক্ষিকা বলেছেন, তার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছেন এবং সরকারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চান
- 📌 কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত চলছে
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার আকছিনা গ্রামে আকছিনা-কুল্লাবাড়ি মডার্ন স্কুলের এক শিক্ষিকাকে দিনদুপুরে জোরপূর্বক অপহরণ চেষ্টার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে শিক্ষিকার পথরোধ করেন দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ। ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলতে রাজি না হওয়ায় তিনি একটি কালো রঙের পিস্তল বের করে ভয়ভীতি দেখান এবং জোরপূর্বক একটি সিএনজিতে তুলে নেন।
অভিযোগকারী শিক্ষিকা জানান, সিএনজিতে তুলে নেওয়ার সময় দেলোয়ারের সঙ্গে থাকা এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে এবং ধারালো ছুরি গলায় ধরে প্রাণ বাঁচাতে হুমকি দেয়। পরে কুল্লাবাড়ি জোড়া ব্রিজের কাছে পৌঁছালে শিক্ষিকা চলন্ত সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তার চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ (৩৫) মুঠোফোনে জানান, তিনি ওই শিক্ষিকার সঙ্গে একমাসের মতো সম্পর্ক ছিল। তিনি দাবি করেছেন, শিক্ষিকার রাগ কমাতে সিএনজিতে ঘুরেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। আমার রাজনৈতিক সম্মান নষ্ট করতেই এসব মিথ্যাচার করা হয়েছে।’
অপরদিকে, অভিযোগকারী শিক্ষিকা বলেন, ‘আমার সম্পর্কের বিষয়ে সে যে অভিযোগ করেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। আমি এবং আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছি। সে যে কোনো সময় আমার এবং পরিবারের ক্ষতি করতে পারে। আমি সরকার ও স্থানীয় সংসদের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
"আমি এবং আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছি। সে যে কোনো সময় আমার এবং পরিবারের ক্ষতি করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কসবা উপজেলা, আকছিনা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ (৩৫), শিক্ষিকা (অভিযোগকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ৩৫ (দেলোয়ারের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!