📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন (৩০) পিস্তল ঠেকিয়ে নারী শিক্ষককে অপহরণের চেষ্টা করে। ঘটনার ৬ দিন পরও গ্রেপ্তার না হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও সমাবেশ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন (৩০) পিস্তল ঠেকিয়ে নারী শিক্ষককে অপহরণের চেষ্টা করে। ঘটনার ৬ দিন পরও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আজ রোববার দুপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেলোয়ার হোসেন (৩০) ওরফে জিন্নাহ, কসবা উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, পিস্তল ঠেকিয়ে নারী শিক্ষককে অপহরণের চেষ্টা করেন
- 📌 ২৬ বছর বয়সী নারী শিক্ষক ২৮ সেপ্টেম্বর বেলা ২টায় বিদ্যালয় ছুটি হলে পথে দেলোয়ারের হামলায় পিস্তল ঠেকানো হয়
- 📌 অটোরিকশায় বাধ্য করা হলে শিক্ষিকাকে মুখ চেপে ধরে অপহরণের চেষ্টা করা হয়, পরে সে উপজেলার কুল্লাবাড়ি জোড়া সেতুর ওপর থেকে লাফিয়ে বাঁচেন
- 📌 ৬ দিন পরও গ্রেপ্তার না হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা মানববন্ধন ও সমাবেশ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানান
- 📌 জেলা ছাত্রদলের তদন্তে দাবি করা হয়, নারী শিক্ষক ও দেলোয়ারের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল, ঘটনায় মান-অভিমান জড়িত
- 📌 কসবা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার রাতে নারী শিক্ষক কসবা থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। মামলায় দেলোয়ার হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি করা হয়। আজ রোববার দুপুরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সমাবেশে বক্তব্য দেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মোল্লা, স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, খন্দকার আজাদ মিয়া এবং ছাত্রদল নেতা খন্দকার সাদ্দাম হোসেন।
বক্তারা বলেন, ঘটনার দিনই সন্ধ্যায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও দেলোয়ারকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে দেলোয়ারকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘শিক্ষিকাই আমাকে কথা বলার জন্য ঘটনার দিন আমাকে বিদ্যালয়ের সামনে যেতে বলেন। একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। রাগ কমাতে শিক্ষিকাকে অটোরিকশা নিয়ে একটু ঘুরেছি।’
জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী জানান, ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দাবি করা হয়, নারী শিক্ষক ও দেলোয়ারের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি সমাধান করার জন্য তারা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তবে তিনি বলেন, ‘ওই নারী শিক্ষকের সঙ্গে আমাদের কথা হয়নি; আমাদের কাছে কোনো অভিযোগও করেননি।’
"ওই শিক্ষিকাই কথা বলার জন্য ঘটনার দিন আমাকে বিদ্যালয়ের সামনে যেতে বলেন। একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। রাগ কমাতে শিক্ষিকাকে অটোরিকশা নিয়ে একটু ঘুরেছি।"
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, বাদী হিসেবে নারী শিক্ষিকের মামলায় অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কসবা উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেলোয়ার হোসেন (৩০), নারী শিক্ষক (২৬), নুরুল আমিন মোল্লা, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, খন্দকার আজাদ মিয়া, খন্দকার সাদ্দাম হোসেন, সমীর চক্রবর্তী, আলী মোহাম্মদ রাশেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ ঘণ্টা (গ্রেপ্তারের সময়সীমা), ৩০ বছর (দেলোয়ারের বয়স), ২৬ বছর (শিক্ষিকের বয়স), ২৮ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ), ২ টা (ঘটনার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!