📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবায় ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন (৩০) পিস্তল ও ছুরি হুমকি দিয়ে একটি নারী শিক্ষককে অপহরণ চেষ্টা করেছেন। শিক্ষক (২৬) অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার সময় সেতু থেকে লাফিয়ে বাঁচেন। ঘটনায় অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষক, তদন্ত চলছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ছাত্রদল নেতা পিস্তল ও ছুরি হুমকি দিয়ে একটি নারী শিক্ষককে অপহরণ চেষ্টা করেছেন। সোমবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে, যেখানে শিক্ষককে জোর করে অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার সময় সে জোড়া সেতু থেকে লাফিয়ে বাঁচেন। ঘটনায় অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষক, এবং কসবা থানার কর্মকর্তারা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ বছর বয়সী ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন পিস্তল ও ছুরি হুমকি দিয়ে নারী শিক্ষককে অপহরণ চেষ্টা করেছেন।
- 📌 ২৬ বছর বয়সী শিক্ষক অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার সময় উপজেলার জোড়া সেতুতে লাফিয়ে বাঁচেন।
- 📌 অভিযোগে বলা হয়েছে, দেলোয়ার শিক্ষককে পেটে পিস্তল ঠেকিয়ে, মুখ চেপে ধরে অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
- 📌 কসবা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 শিক্ষক দাবি, দেলোয়ারের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল না, মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার একটি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (২৬) স্কুল ছুটি শেষে হেঁটে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের ছাত্রদল সভাপতি দেলোয়ার হোসেন (৩০) তাঁর পথ রোধ করেন। দেলোয়ার শিক্ষিকাকে একটি অটোরিকশায় উঠতে বললে, সে অস্বীকৃতি জানালে তিনি কোমর থেকে পিস্তল বের করে শিক্ষিকার পেটে ঠেকান। একই সাথে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি শিক্ষিকার মুখ চেপে ধরে অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
অটোরিকশায় করে নিয়ে যাওয়ার সময় দেলোয়ার একটি ছুরি বের করে শিক্ষিকার গলায় ধরে হুমকি দেন। পরে উপজেলার কুল্লাবাড়ি জোড়া সেতুর ওপর পৌঁছালে শিক্ষিকা প্রাণ বাঁচাতে অটোরিকশা থেকে লাফিয়ে পড়েন। আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করেন। ঘটনায় শিক্ষিকা সোমবার রাতে কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
দেলোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রায় এক মাস ধরে ওই শিক্ষিকার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। তিনি আমাকে কথা বলার জন্য ঘটনার দিন আমাকে বিদ্যালয়ের সামনে যেতে বলেছিলেন। শিক্ষিকার সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। রাগ কমাতে শিক্ষিকাকে অটোরিকশায় নিয়ে একটু ঘুরেছি।’ তবে শিক্ষিকা প্রথম আলোকে দাবি করেন, ‘দেলোয়ারের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল না—এমন অভিযোগ মিথ্যা।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, অটোরিকশায় করে শিক্ষিকাকে পানিয়ারূপ এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে দেলোয়ার ফোন করে কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানান। শিক্ষিকাকে জোড়া সেতু এলাকায় অটোরিকশা থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তবে তিনি দাবি করেন, এখন ওই শিক্ষকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে দেলোয়ার মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছেন।
"প্রায় এক মাস ধরে ওই শিক্ষিকার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। ওই শিক্ষিকাই কথা বলার জন্য ঘটনার দিন আমাকে বিদ্যালয়ের সামনে যেতে বলেন। শিক্ষিকার সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। রাগ কমাতে শিক্ষিকাকে অটোরিকশা নিয়ে একটু ঘুরেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলা, জোড়া সেতু, পানিয়ারূপ এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেলোয়ার হোসেন (৩০), নারী শিক্ষক (২৬), ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর (দেলোয়ার), ২৬ বছর (শিক্ষক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!