📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জে ছয় বছর বয়সী একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জনতা মারতে চায়। পুলিশ জিম্মা করে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও জনতার মধ্যে সংঘর্ষ হয়
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ উপজেলায় ছয় বছর বয়সী একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতা মারতে চায়। পুলিশ জিম্মা করে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও জনতার মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আশুগঞ্জ উপজেলাতে ছয় বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতা মারতে চায়।
- 📌 মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয় এবং তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
- 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতা জিম্মা করে একটি বাড়িতে আটকে রাখে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সংঘর্ষ হয়।
- 📌 পুলিশের সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আশুগঞ্জ থানায় হেফাজতে নেওয়া হয়।
- 📌 মেয়ের মা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তির অস্বাভাবিক আচরণের পর মেয়ের লাশ পান।
📰 বিস্তারিত
গতকাল শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ উপজেলায় একটি মাদ্রাসায় পড়া ছয় বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মেয়ের এক স্বজনকে (১৮) পুলিশ আটক করেছে। মেয়ের লাশ বেলা আড়াইটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।
মেয়ের মা প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল তাঁদের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। অভিযুক্ত তরুণ মেয়ের স্বজন। মেয়েকে পানি এনে দিতে বলেন ওই তরুণ এবং তাকে নিজ ঘরে নিয়ে যান। মেয়ের মা ছোট ছেলেকে চিকিৎসক দেখিয়ে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে খুঁজছিলেন। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির ঘরের সামনে গিয়ে মেয়ের কথা জানতে চান। অভিযুক্ত তরুণ শিশুটিকে দেখেননি বলে জানান। তবে ঘরের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখে তাঁর সন্দেহ হয়।
মেয়ের মা পরে ঘরের ভেতর গিয়ে বিছানায় মেয়েকে দুই হাত-পা বাঁধা ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। স্বজনেরা মেয়েকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মেয়ের শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পিটুনি দিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখা হয়। স্থানীয় তিন-চার হাজার জনতা উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মেরে ফেলতে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও লোকজনের সহায়তায় তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে পুলিশের হেফাজতে নেয়।
"কাপড় আনতে গিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির ঘরে মেয়ের কথা জিজ্ঞেস করি। তখন সে অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। পরে দরজায় জুতা দেখে সন্দেহ হয়। পাশের একটি ঘরে মেয়ের লাশ পাই। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।"
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিযুক্ত ব্যক্তি (১৮), মেয়ের মা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ বছর বয়সী মেয়ে, ১৮ বছর বয়সী অভিযুক্ত ব্যক্তি, তিন-চার হাজার জনতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!