📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই তরুণ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত আরও চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানায়, প্রতারক চক্রের কারণে পরিবার মামলা করতে দেরি করেছিল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনায় জড়িত আরও চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছিল ৭ অক্টোবর রাতে মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার সময়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলে ৭ অক্টোবর রাতে ১৩ বছর বয়সী কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়
- 📌 গ্রেপ্তার: বাহার মিয়া (২২) ও নাঈম মিয়া (২৪); বাহারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
- 📌 নাঈম মিয়া ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায়, বাহার সরাইল থানায় গ্রেপ্তার
- 📌 ঘটনায় জড়িত আরও চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে
- 📌 কিশোরীকে রাত ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় বাড়ির সামনে ফেলে রাখা হয়
- 📌 পরিবার প্রতারক চক্রের কারণে মামলা করতে দেরি করেছিল
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলের একটি মাদ্রাসায় ৭ অক্টোবর রাতে ওয়াজ মাহফিল চলছিল। ওই সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে মাহফিলে যাচ্ছিলেন ১৩ বছর বয়সী কিশোরী। বাড়ি থেকে কিছু দূর যাওয়ার পর চারজন ব্যক্তি তাকে জোর করে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে নিরজনে নিয়ে যায়। পরে আরও দুজন যোগ দিলে সেখানে তিনজন তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনাস্থলে রাত সাড়ে ১১টায় তাকে অচেতন অবস্থায় অটোরিকশায় করে বাড়ির সামনে ফেলে রাখা হয়। পরিবারের লোকজন তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, পরে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ জানায়, ঘটনায় জড়িত দুই তরুণ বাহার মিয়া (২২) ও নাঈম মিয়া (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাঈম মিয়া ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় এবং বাহার মিয়া সরাইল থানায় গ্রেপ্তার করা হয়। বাহার মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে নাঈম মিয়া সরাইল থানার হেফাজতে রয়েছে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, গ্রেপ্তারকৃত তরুণেরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনায় জড়িত আরও চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি ভিন্ন দিকে নিতে একটি প্রতারক চক্র কাজ করছিল। এ কারণে পরিবারের লোকজন মামলা করতে দেরি করেছিল। মামলার তদন্ত চলছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
"গ্রেপ্তার তরুণেরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। প্রতারক চক্রের কারণে পরিবার মামলা করতে দেরি করেছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল, উপজেলা মাদ্রাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিশোরী (১৩), বাহার মিয়া (২২), নাঈম মিয়া (২৪), মনজুর কাদের ভূঁইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (কিশোরীর বয়স), ২২ ও ২৪ (গ্রেপ্তারকৃত তরুণদের বয়স), ৭ (অক্টোবর), ১১ (টার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!