📌 বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় সাত ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া চুক্তিনামা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে তিন ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসককে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জেলা কৃষি অধিদপ্তর তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে
বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় সাত ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মুখে তিন ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগ যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যের মতামত ছাড়াই তালিকা জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং ভুয়া চুক্তিনামা তৈরির মাধ্যমে অবৈধভাবে ডিলারশিপ প্রদান করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তালতলী উপজেলার সাত ইউনিয়নে সার ডিলার নিয়োগে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 মিথিলা, মৃধা ও আবদুল্লাহ এন্টারপ্রাইজের মালিক মিলন, মাসুদ রানা ও ইব্রাহিম অভিযোগ দিয়েছেন।
- 📌 সিকদার এন্টারপ্রাইজের মালিক রকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুয়া গুদাম চুক্তিনামা তৈরির অভিযোগ তুলেছেন।
- 📌 জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক বদরুল আলম তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।
- 📌 ১৩ আগস্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ৭০ জন ব্যবসায়ী আবেদন করলেও অনিয়মের অভিযোগে তালতলী উপজেলা কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার দাবি করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মুখে মিথিলা এন্টারপ্রাইজের মালিক মিলন, মৃধা এন্টারপ্রাইজের মালিক মাসুদ রানা ও আবদুল্লাহ এন্টারপ্রাইজের মালিক ইব্রাহিম আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তারা দাবি করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতীশ সরকার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু জাফর নিয়োগ যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য মো. মাহবুবুল আলম মামুনের মতামত ছাড়াই তালিকা জেলা কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নে মনোনীত ডিলার সিকদার এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. রকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুয়া গুদাম চুক্তিনামা তৈরির অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, একটি অসাধু চক্র মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে রকিবুল ইসলামকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। রকিবুল ইসলামের দাবি করা গুদামের মালিক স্বপন চন্দ্র শীল স্বাক্ষর জাল করে চুক্তিনামা তৈরির অভিযোগ করেছেন।
রকিবুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘আমি যথাযথ নিয়ম মেনেই আবেদন করেছি এবং ডিলারশিপ পেয়েছি।’ তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ডিলার যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্যসচিব মো. আবু জাফর জানান, ‘আবেদনকারীদের সব তালিকা জেলায় পাঠানো হয়েছে। গুদাম চুক্তিনামার জালিয়াতির বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ সরকার বলেছেন, ‘কৃষি কর্মকর্তা ও তাঁর টিম আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করেছেন। কৃষি কর্মকর্তার মতামতের ওপর ভিত্তি করেই তালিকা জেলায় পাঠানো হয়েছে।’
"আমি রকিবুল ইসলাম নামের কারও কাছে সারের গুদাম তৈরির জন্য ঘর ভাড়া বা চুক্তিনামা দিইনি। আমার স্বাক্ষর জাল করে এই চুক্তিনামা বানানো হয়েছে। জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি। তবে বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস এম মো. বদরুল আলম বলেছেন, ‘এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরগুনা জেলা, তালতলী উপজেলা, পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিলন, মাসুদ রানা, ইব্রাহিম, মো. রকিবুল ইসলাম, স্বপন চন্দ্র শীল, মো. মাহবুবুল আলম মামুন, অতীশ সরকার, মো. আবু জাফর, এস এম মো. বদরুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ জন আবেদনকারী, ১৩ আগস্ট বিজ্ঞপ্তি, ১২ অক্টোবর অভিযোগ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!