📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বরিশালের এএসআই দেলোয়ার হোসেন থানায় নেই: পুলিশের অস্বীকার, অভিযোগ পালিয়ে যাওয়া

বরিশালের এএসআই দেলোয়ার হোসেন থানায় নেই: পুলিশের অস্বীকার, অভিযোগ পালিয়ে যাওয়া

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বরিশালের বিমানবন্দর থানার সহকারী উপপরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন (৩৮) মাদক অভিযানে আটক হলেও থানায় উপস্থিত হননি। পুলিশ দাবি করছে তিনি ছুটিতে আছেন, কিন্তু স্থানীয়রা অভিযোগ করছে তিনি পালিয়ে গেছেন। অভিযানে মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হয়

বরিশালের বিমানবন্দর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেন (৩৮) মাদকবিরোধী অভিযানে আটক হলেও থানায় উপস্থিত হননি। স্থানীয়রা দাবি করছে তিনি পালিয়ে গেছেন, কিন্তু পুলিশ অস্বীকার করে বলছে তিনি ছুটিতে আছেন। গত বৃহস্পতিবার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কড়াপুর গ্রামে মাদক সেবনের আসরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়, যার মধ্যে দেলোয়ারও ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেলোয়ার হোসেন (৩৮) বিমানবন্দর থানার এএসআই, মাদক অভিযানে আটক হলেও থানায় উপস্থিত হননি। স্থানীয়রা অভিযোগ করছে তিনি পালিয়ে গেছেন।
  • 📌 মিরাজুল ইসলাম (৩৪) ও এক নারী মাদক গ্রহণের প্রমাণে ২০ দিন কারাদণ্ড পান, অন্যজন নাহিদ হাসান (২৬) ছাড় পান।
  • 📌 ওসি রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, দেলোয়ার ছুটিতে আছেন। তিনি সাময়িক বরখাস্ত হন।
  • 📌 ডিএনসি উপপরিচালক তানভীর হোসেন খান বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
  • 📌 মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হয় মিরাজুলের বাড়ি থেকে।

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার ভোরে বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কড়াপুর গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ডিএনসি পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে বিমানবন্দর থানার এএসআই দেলোয়ার হোসেন (৩৮) ছিলেন। অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) থেকে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটকদের মধ্যে মিরাজুল ইসলাম (৩৪) ও এক নারী ডোপ টেস্টে মাদক গ্রহণের প্রমাণ পাওয়ায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হয়। আদালত তাদের ২০ দিনের কারাদণ্ড দেন। অন্যজন নাহিদ হাসান (২৬) ডোপ টেস্টের ফল নেগেটিভ হওয়ায় ছাড় পান। ডিএনসি বরিশালের উপপরিচালক তানভীর হোসেন খান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।

দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি থানায় আটক হলেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থানায় থেকে বেরিয়ে যান এবং আর ফিরেননি। স্থানীয়রা দাবি করছেন, দেলোয়ার মিরাজুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে থাকায় প্রায়ই তার বাড়িতে যাতায়াত করতেন। তবে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, দেলোয়ার ছুটিতে আছেন এবং পালিয়ে যাবেন কোথায়?

"তিনি ছুটিতে আছেন। পালিয়ে যাবেন কোথায়? তাঁকে চাকরি করতে হলে আসতে হবে।"

ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ওসি জানিয়েছিলেন, দেলোয়ারের ডোপ টেস্টের প্রস্তুতি চলছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, তিনি অনুমোদন ছাড়া কর্মস্থলের বাইরে অবস্থান করছিলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বরিশাল সদর উপজেলা, দক্ষিণ কড়াপুর গ্রাম, বিমানবন্দর থানা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এএসআই দেলোয়ার হোসেন (৩৮), ওসি রফিকুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম (৩৪), নাহিদ হাসান (২৬)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ দিন কারাদণ্ড, ৩৮ বছর, ৩৪ বছর, ২৬ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖