📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভোলার ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-সহকারী ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দরকষাকষি ও নথি চুরি

ভোলার ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-সহকারী ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দরকষাকষি ও নথি চুরি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মকর্তা বজলুর রহমান ও তার সহকারী মোঃ রাকিবের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী জানান, দরকষাকষির মাধ্যমে ১০০০ টাকা দিলে খতিয়ান নথি দেওয়া হলেও রশিদ দেয়া হয়নি

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মকর্তা ও সহকারী ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দরকষাকষি ও নথি প্রদানের অপব্যবহারের ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। ভুক্তভোগী সবুজ মোসলমানের অভিযোগে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) তিনি এসএ খতিয়ান খোঁজার জন্য অফিসে গেলে কর্মকর্তারা অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা বজলুর রহমান ও সহকারী মোঃ রাকিব ভুক্তভোগী সবুজ মোসলমানের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দরকষাকষি ও নথি প্রদানের অপব্যবহারের ঘটনা স্বীকার করেছেন।
  • 📌 ৩০০ টাকা সার্চিং ফি দিয়ে ১৮টি খতিয়ানের তথ্য পাওয়া গেলেও, প্রতিটি খতিয়ানের জন্য ২০০ টাকা করে দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ১০০০ টাকা দিলে ১৬টি খতিয়ান পাওয়া গেলেও বাকি ২টি রেখে দেওয়া হয়।
  • 📌 কর্মকর্তারা কোনো রশিদ প্রদান করেননি এবং ভুক্তভোগীকে অফিসে আসার জন্য বারবার ডাকার পরও কর্মকর্তা পাওয়া যায়নি।
  • 📌 অন্যান্য ভুক্তভোগীরাও অভিযোগ করেছেন, খাজনা পরিশোধ ও নামজারী নেওয়ার সময় অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয় এবং কর্মকর্তারা অফিসে আসেন না।

📰 বিস্তারিত

ভুক্তভোগী সবুজ মোসলমান জানান, গত ৮ অক্টোবর সাচড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দাগ নম্বর দিয়ে এসএ খতিয়ান খোঁজার জন্য গিয়েছিলেন। অফিসের সহকারী মোঃ রাকিব বলেছিলেন, খতিয়ান দেখতে কয়েকদিন সময় লাগবে। পরে তিনি ৩০০ টাকা সার্চিং ফি দিয়ে ১৮টি খতিয়ানের তথ্য পান। কিন্তু খতিয়ান পাওয়া যাবে কিনা জানতে চাইলে রাকিব বলেন, ২০০ টাকা করে প্রতিটি খতিয়ানের জন্য দিতে হবে। দরকষাকষির পর ১০০০ টাকা দিলে ইউনিয়ন উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমান ১৬টি খতিয়ান প্রদান করেন। বাকি ২টি রেখে দেওয়ার পর কর্মকর্তা সোমবার আসার কথা বললেও সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীর মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। কর্মকর্তারা যে টাকা নিয়েছেন তা আদায়ের কোনো রশিদ প্রদান করেননি। তিনি আরও জানান, শুধু তিনি নয়, অন্য অনেক ভুক্তভোগীও অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সেবা নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে খাজনা, খতিয়ান ও নামজারীর নামে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওই অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

অন্যান্য ভুক্তভোগীদের মধ্যে শাহাজল খান জানান, জমির দাখিলার আবেদন করে ৫ দিন গিয়েও কর্মকর্তাকে পাননি। আর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিআরএস খতিয়ান আসছে কিনা জানতে জেলা রেকর্ড অফিসে যেতে হয়েছে।

"এটা দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নাই। এটা রেকর্ড রুম থেকে সই মোহর আনতে হবে। আমরা আপনাদের সহযোগিতার জন্য মাঝে মধ্যে দিয়ে থাকি। ভাই আপনার ওই আঠারশো টাকাই দিতে হবে।"

মোঃ রাকিব জানান, তিনি স্থায়ী পদে চাকরি করেন না, বরং ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেন। তিনি বলেন, "কারো কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো টাকা রাখি না। অভিযোগকারীর ব্যাপারে আমি ৫০০ টাকা চেয়েছি, তিনি খুশি হয়ে ৩০০ টাকা দিয়েছেন। এটা কোনো সরকারি ফি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাচড়া ইউনিয়ন, বোরহানউদ্দিন উপজেলা, ভোলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্মকর্তা বজলুর রহমান, সহকারী মোঃ রাকিব, ভুক্তভোগী সবুজ মোসলমান, শাহাজল খান, মোস্তাফিজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর, ৩০০ টাকা, ১৮টি খতিয়ান, ২০০ টাকা, ১০০০ টাকা, ১৬টি খতিয়ান, ২টি খতিয়ান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖