📌 বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ মামলায় আসামি মাহবুব কারিকরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী পাবেন এই জরিমানার পুরোটা। মামলাটি ২০১৪ সালে দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু ১২ বছর পর রায় ঘোষণা হয়
বরগুনায় ধর্ষণ মামলায় আসামি মাহবুব কারিকরকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী, এই জরিমানার পুরোটা ভুক্তভোগী নারীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। রবিবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওসমান গনি এই রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাহবুব কারিকরকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিণত হবে
- 📌 ভুক্তভোগী নারীর বাবা মো. খবির গাজী ২০১৪ সালের ২৩ জুন মামলা দায়ের করেন, যা ১২ বছর পর ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে রায় পাওয়া যায়
- 📌 আসামি ২০১৪ সালের ৩ জুন চট্টগ্রামে ভুক্তভোগী নারীর স্বামীকে পানি পান করতে পাঠিয়ে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান
- 📌 মামলার আসামি মাহবুব কারিকর পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচকি গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে
- 📌 রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে কারাগারে পাঠানো হয়
📰 বিস্তারিত
বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওসমান গনি রবিবার রায় ঘোষণা করেন। মাহবুব কারিকরকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, তিনি ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে বাধ্য, যা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিণত হবে। আদালতের রায় অনুযায়ী, এই জরিমানার পুরোটা ভুক্তভোগী নারীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি মাহবুব কারিকর ২০১৪ সালের ৩ জুন বিদেশে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীর সাথে তার স্বামীকে চট্টগ্রামে নিয়ে যান। সেখানে স্বামীকে পানি পান করতে পাঠিয়ে তিনি কৌশলে নারীর সাথে পালিয়ে যান এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ভুক্তভোগী নারীর বাবা মো. খবির গাজী ২০১৪ সালের ২৩ জুন মামলাটি দায়ের করেন।
দীর্ঘ ১২ বছর পর, ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপু জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ সাজা দিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
"আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ সাজা দিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, পাথরঘাটা উপজেলা, বরগুনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুব কারিকর (আসামি), মো. খবির গাজী (ভুক্তভোগী নারীর বাবা), বিচারক ওসমান গনি, অ্যাডভোকেট রনজুয়ারা সিপু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার টাকা (জরিমানা), ৩ মাস (বিনাশ্রম কারাদণ্ড), ৯ জন (সাক্ষী), ১২ বছর (মামলার সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!