📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ২:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বগুড়া শাজাহানপুরে চক্রের হাত থেকে হাজারো মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি: শিশু-কিশোরদের ফেস ভেরিফিকেশন ও পাসপোর্ট ডেটা পাচার

বগুড়া শাজাহানপুরে চক্রের হাত থেকে হাজারো মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি: শিশু-কিশোরদের ফেস ভেরিফিকেশন ও পাসপোর্ট ডেটা পাচার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় একটি চক্র শিশু-কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যক্তিগত তথ্য (পাসপোর্ট, এনআইডি, ফেস ভেরিফিকেশন ভিডিও) চুরি করে বিদেশে পাচার করছে। স্থানীয়রা জানান, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই অপরাধ চলছে, কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় একটি অপরাধী চক্র শিশু-কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে বিদেশে পাচার করছে। স্থানীয়রা জানান, এই চক্রের সদস্যরা টাকার বিনিময়ে মানুষের পাসপোর্টের ছবি, এনআইডি তথ্য ও ফেস ভেরিফিকেশন ভিডিও নিচ্ছে। গতকালের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **শাজাহানপুরে চক্রের হাত থেকে হাজারো মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি**: পাসপোর্টের ছবি, এনআইডি তথ্য ও ফেস ভেরিফিকেশন ভিডিও পাচার করা হচ্ছে বিদেশে।
  • 📌 **শিশু-কিশোরদের লক্ষ্য**: স্কুলের ৯ শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল, তাদের ফেস ভেরিফিকেশন করা হয়েছিল।
  • 📌 **টাকার বিনিময়ে তথ্য চুরি**: একজন শিক্ষার্থী বলেছেন, ২০০ টাকা দিলে তাদের ফেস ভেরিফিকেশন করা হত।
  • 📌 **অ্যাপের মাধ্যমে ফেস ভেরিফিকেশন**: সাব্বির হাসান রাকিব (২৭) বলেছেন, ‘বিগপে’ অ্যাপের মাধ্যমে ফেস ভেরিফিকেশন করা হত।
  • 📌 **গুদাম ও মুরগির খামার দু’টি কেন্দ্র**: শাজাহানপুরের ডেমাজানি ব্রিজের গুদাম ও রহিমাবাদ গ্রামের মুরগির খামার দু’টি প্রধান কেন্দ্র।
  • 📌 **থানায় অভিযোগ হলেও কোনো পদক্ষেপ নেই**: গত ২০ জুলাই একজন সাবেক সেনাসদস্য থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন, কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

📰 বিস্তারিত

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ গ্রামের একটি পরিত্যক্ত মুরগির খামার এবং ডেমাজানি ব্রিজের কাছে একটি গুদামে এই অপরাধ চলছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন শিশু-কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্করা এই দু’টি স্থানে জড়ো হয়। তাদের কাছ থেকে পাসপোর্টের ছবি, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ফেস ভেরিফিকেশন ভিডিও নেওয়া হয়। এরপর এই তথ্য বিদেশে পাচার করা হয়।

সাব্বির হাসান রাকিব (২৭) এই অপরাধের প্রধান সন্দেহভাজন। তিনি প্রায় এক বছর ধরে এই কাজ করছেন। স্থানীয় শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের স্কুলে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর এই খামারে নিয়ে যাওয়া হত। ওই খামারে গিয়েছিল শাজাহানপুরের মহিপুর কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯ শিক্ষার্থী। তাদের ফেস ভেরিফিকেশন করা হয়েছিল। একজন শিক্ষার্থী বলেন, “তিনি আমাকে ২০০ টাকা দিলে আমার ভিডিও ধারণ করে ফেস ভেরিফিকেশন করা হয়েছিল। এরপর আমি অন্য শিশুদের সেখানে নিয়ে যেতাম।”

কৃষক আরিফুল ইসলাম বলেন, বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই এলাকায় ২০ থেকে ৫০ জন কিশোরকে দেখা যায়। তারা কেউ মুরগির খামারের ভেতরে ঢোকে, আবার কেউ বাইরে ঘোরাফেরা করে। কিন্তু তাদের কেউই স্পষ্টভাবে বলতে চায় না, কেন তারা সেখানে আসে। শাজাহানপুরের কাটাবাড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার কৃষক শাহিনুল ইসলামও প্রায় তিন মাস ধরে এই ঘটনাগুলো দেখছেন।

সাব্বির হাসান রাকিব স্বীকার করেছেন যে, তিনি ‘বিগপে’ অ্যাপের মাধ্যমে ফেস ভেরিফিকেশন করতেন। তিনি বলেন, “প্রথমে পরিচিত ব্যক্তিদের দিয়ে কাজ করাতেন। পরে তারা আমার কাছে অন্যরা আসতে শুরু করে। কেউ কেউ আমার এজেন্ট হিসেবেও কাজ করে। আমি তাদের মাথাপিছু ৫০০ টাকা দিই।”

এছাড়াও, স্থানীয় পান ব্যবসায়ী হাসেন আলী জানান, তিনি ও তার স্ত্রীকে পাসপোর্টের ছবি ও ফেস ভেরিফিকেশন করার জন্য শাজাহানপুরের ডেমাজানি ব্রিজের গুদামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সৈকত ইসলাম ও তার সহযোগী মামুন তাঁদের কাছে এসেছিলেন এবং ৭ হাজার টাকা দিতে বলেছিলেন। হাসেন বলেন, “তাঁরা আমাদের ছবি তোলেন এবং ফেস ভেরিফিকেশন করেন। এরপর আমাদের পাসপোর্টের ছবিও নেন।”

"আমি সৈকতের সহযোগী হিসেবে দুই বছর কাজ করেছি। এখন নিজেই প্রায় তিন মাস ধরে এই কাজ করছি। আমার কাছে অনেকেই লোকজন নিয়ে আসে। তাদের মাথাপিছু ৫০০ টাকা করে দিই।"

— সাব্বির হাসান রাকিব

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বগুড়া, শাজাহানপুর উপজেলা (রহিমাবাদ গ্রামের মুরগির খামার ও ডেমাজানি ব্রিজের গুদাম)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাব্বির হাসান রাকিব (২৭), আরিফুল ইসলাম, হাসেন আলী, সৈকত ইসলাম, মামুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, ২০০ টাকা (ফেস ভেরিফিকেশন বিনিময়ে), ৫০০ টাকা (মাথাপিছু), ৭ হাজার টাকা (পাসপোর্টের ছবি ও ফেস ভেরিফিকেশন বিনিময়ে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖